শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চলমান সহিংসতা থামাতে সংলাপের আহ্বান আফগানিস্তানের  ‘পাকিস্তানকে আরও জোরালো ও সুনির্দিষ্ট জবাব দেবে কাবুল’ আফগানরা অস্ত্র ফেলে পিছু হটছে : তাতার রমজানে সংঘাতে দুই মুসলিম দেশ, উদ্বিগ্ন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠন ছাড়া প্রকৃত সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ নাগরিকদের তেহরান ছাড়ার আহ্বান জানালো চীন বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান  ‘সঠিক সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে কাজ করছে সরকার’  ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে’ আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাও জরুরি: মাওলানা ফজলুর রহমান

হিযবুত তাহরীরের প্রধান সমন্বয়ক মহিউদ্দিন খালাস, দু’জন দণ্ডিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় হিযবুত তাহরীরের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক মহিউদ্দিনসহ চারজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেন আদালত।

খালাস পাওয়া অপর তিন আসামি হলেন- যুগ্ম সমন্বয়ক কাজী মোরশেদুল হক প্লাবন, সদস্য তানভীর আহম্মেদ ও আবু ইউসুফ আলী ।

তবে হিযবুত তাহরীরের সদস্য সাইদুর রহমান ও তৌহিদুল আলমের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

আজ (রোববার) সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জানা যায়, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাইদুর রহমান ও তৌহিদুল আলম পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল উত্তরা থানাধীন ৩ নম্বর সেক্টরে তাকওয়া মসজিদের পশ্চিম পাশে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের কিছু সদস্য সরকারবিরোধী লিফলেট ও পোস্টার বিলি এবং জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পেট্রলবোমা নিয়ে আসেন। এ খবর পেয়ে উত্তরা থানার উপ-পরিদর্শক ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক নুরুল আমীন হিযবুত তাহরীরের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক মহিউদ্দিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত কামরুল হোসেন মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ১৬ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাতজন সাক্ষ্য দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- হিযবুত তাহরীরের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক মহিউদ্দিন, যুগ্ম সমন্বয়ক কাজী মোরশেদুল হক প্লাবন, হিযবুত তাহরীর সদস্য তানভীর আহম্মেদ, সাইদুর রহমান, আবু ইউসুফ আলী ও তৌহিদুল আলম।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ