১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাস্টবিন থেকে ৩১টি অপরিণত নবজাতক শিশুরমৃতদেহ ও ভ্রুণ উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলো বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো। চোখ মেলে দেখার আগেই হত্যার শিকার হন নবজাতকরা! যারা বর্তমান সভ্যতায় বিশ্বাসী এবং এ সভ্যতার হাত ধরে সুন্দর এক পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখেন। তাদের সে বিশ্বাস ও স্বপ্নে চির ধরেছে, প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে আসলেও কী এ সভ্যতা সুন্দর ও মুক্তির, নাকি সেকেলে বর্বরের?
সম্প্রতি এ ঘটনায় কেঁদে ওঠেছে মানবতা। কেন হচ্ছে এমন, কী কারণে হচ্ছে, মানবিক সামাজিক অবক্ষয় ও তা থেকে পরিত্রাণের বিষয়ে আওয়ার ইসলাম টোরেন্টিফোর ডটকম সম্পাদক কথা বলেছেন দুজন গুণীআলেমের সঙ্গে। একজন ঢাকার মুহাম্মদপুরের রাহমানিয়া আরাবিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মামুনুল হক আরেকজন
উত্তরার বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব শায়েখ মাওলানা আহমদ আলী।
শ্রুতি লিখনে ছিলেন মাওলানা রোকন হারুন।
মাওলানা মামুনুল হকের কাছে জানত চাওয়া হয়, সম্প্রতি বরিশালের মেডিকেল কলেজের ডাস্টবিনে ২২ নবজতকের লাশ আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে কোন দিকে ইঙ্গিত করছে বলে মনে করেন?
উত্তরে তিনি বলেন, এ ঘটনা আমাদের সামনে দুটি বিষয়কে স্পষ্ট করে এবং দু‘দিকে ইঙ্গিত করে, প্রথমত, আমাদের দেশ ধর্ম পরায়ন মানুষের দেশ, রক্ষণশীল একটি দেশ, এখানে এমন ঘটনা ঘটা ভংকর একটা বিষয়।
গা শিউরে উঠার মতো সংবাদ। ইসলামি সভ্যতায় গড়া দেশে বাবা-মা পরিচয়হীন নবজাতকের লাশ পাওয়া কল্পনা করা যায় না। এ ঘটনা আমাদের যুব চরিত্র ও তরুণ-তরুণীদে খোলামেলা চলাফেরা, অবাধে মেলামেশা যে পশ্চিমা কালচার আমাদের দেশে আমদানি করা হয়েছে এবং ইতিমধ্য তা সমাজের কতটা গভীরে পৌছিয়েছে এ ঘটনা সেদিকে ইঙ্গিত করছে।
দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, আসলে শুধু আমাদের মতো রক্ষণশীল বা ইসলামি সমাজ ব্যবস্থার জন্যই শুধু অশুভ সংকেত না, এটা ভয়ংকর এক লোমহর্ষক ব্যাপারও, কোনও খোলামেলা দেশেও তো এমন চিত্র ভাবা যায় না।
এভাবে পড়ে থাকা ডাস্টবিনে সর্বশ্রেষ্ঠ মাখলুক, নবজাতক সন্তানের লাশ আবর্জনায় নিক্ষিপ্ত হবে! আবার সেটা কোন মেডিকেলেরে ডাস্টবিনে, এ থেকে আরেকটি তথ্য বেরিয়ে আসে, এ প্রক্রিয়ার সাথে যারা জড়িত অর্থাৎ নবজাতকের মা বাবাই কেবল এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত না বরং সমাজে সভ্যতার মুখোশ পড়ে চলা এক শ্রেণির মানুষও জড়িত এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্তরাও এ অপরাধের সাথে সমানভাবে জড়িত।
সে দিকেও ইঙ্গিত করছে। এ ঘটনা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যেমন পৈশাচিক পাপকর্ম তেমনই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও à¦