সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ।। ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৭ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
শাহজালালের (রহ.) মাজারে প্রথমবার প্রকাশ্যে গোনা হচ্ছে দানের অর্থ মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এনআইডি সংশোধন নিয়ম পরিবর্তনে কমিটি গঠন ইসির মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে সস্ত্রীক বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ নিষিদ্ধ আ. লীগের নাশকতার আশঙ্কায় ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ‘উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে’  ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মহানগরের তৃণমূল প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নেতার শয্যাপাশে এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ শুলকবহর মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুর রহীম আনোয়ারীর ইন্তেকাল ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা: নিহত ৩, আহত ৫

ভবন নির্মাণে বীমা বাধ্যতামূলক: পূর্তমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বীমা বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আজকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সব ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বীমা বাধ্যতামূলক। এ কারণে যিনি ভবন নির্মাণের দায়িত্ব নিচ্ছেন, তিনি আর যেনতেনভাবে সেটা আর নির্মাণ করতে চাইবেন না।

আজ বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ‘রাজউক-চউক-এর সেবা সহজীকরণ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রী।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখি। ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যর্থতা, ডেভেলপারদের ব্যর্থতা, অতি লোভী কিছু লোকদের ব্যর্থতা, আমরা যারা নিজেরা দালান করতে চাই তাদেরও ব্যর্থতা রয়েছে।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা যুগান্তকারী কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এখন থেকে ১৬টির পরিবর্তে মাত্র চারটি সংস্থার অনাপত্তির ভিত্তিতে ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন দেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) অন্যান্য কর্তৃপক্ষগুলোও।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি গতানুগতিক ভাবে যে ১৬টি স্তর অতিক্রম করতে হতো, এর কোনো আবশ্যকতা নেই। এগুলো কেবল সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ানো ও নামকাওয়াস্তে একটি পদ্ধতির ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। সেই ভোগান্তি দূর করে সহজ করার মধ্য দিয়ে জনসেবাকে মানুষের দোরগোড়াতে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

নকশা পাসের জন্য সর্বোচ্চ ৫৩ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগে অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ সময় লাগত ১৫০ দিন। এটা কমিয়ে আমরা ৫৩ দিনে নিয়ে আসছি। এক্ষেত্রে ব্যয় কমে যাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সাত দিনের মধ্যেও অনুমোদন পাওয়া সম্ভব হবে।

আগামী ১ মে থেকে আর কোনো ম্যানুয়ালি নকশা অনুমোদন বা অন্য কোনো আবেদনের সুযোগ থাকবে না বলেও জানান মন্ত্রী।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিডা চেয়ারম্যানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ