আওয়ার ইসলাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে।
আজ (২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইডি লাউঞ্চে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার দুর্নীতি দূরসহ ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে।
যা আছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারে।
১. অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচি
১. কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হবে।
২. শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে।
৩. শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসনও প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৪. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংসদ নির্বাচন পদ্ধতির আমূল সংস্কার করা হবে। First Past The Post (FPTP) এর পরিবর্তে Proportional Represenation (PR) পদ্ধতি প্রবর্তন করা হবে।
৫. মানুষের সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয় করা হবে।
৬. দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করা হবে।
৭. নির্বাচনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে সৎ, যোগ্য ও চরিত্রবান প্রার্থীদের বিবেচিত করা হবে।
৮. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ে তোলা হবে।
৯. খুন, গুম, মিথ্যা ও গায়েবী মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের কবল থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করা হবে।
১০. জনগণের বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের সকল স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।
১১. সকল শ্রেণী, পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে তাদের সঠিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনেও উদ্বুদ্ধ করা হবে।
১২. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়; অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
১৩. শিল্পোদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় ঋণ, গ্যাস, বিদ্যুত, পানি, স্যুয়ারেজ, আমদানী-রফতানী কার্যক্রমে ওয়ানস্টেপ সার্ভিস কর্মসূচি গ্রহণ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু সম্পন্ন করা হবে।
১৪. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হবে।
১৫. সড়ককে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৬. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা হবে।
২. পটভূমি
আমরা মহান আল্লাহ’র শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি আমাদেরকে সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করছেন। যিনি আমাদেরকে তাঁর খলীফা বা প্রতিনিধির মর্যাদা দান করেছেন। যিনি আমাদের জীবনকে সুন্দর, সফল ও সার্থক করে গড়ে তোলার জন্য কালজয়ী আদরà