কাউসার লাবীব: বাংলা পৃথিবীর একমাত্র ভাষা যার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে দিতে হয়েছিল বুকের তাজা রক্ত আর কিছু তাজা প্রাণ। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই স্লোগানে রাজপথ উত্তাল করে আপন করে নিই আমাদের এই ভাষাকে।
এ ইতিহাস আজ থেকে প্রায় অর্ধ্বশতাব্দী আগের। কিন্তু তা আজো আমাদের মনে সজীব হয়ে আছে। সেই প্রেরণায় আমরা আবারো প্রাণের ভাষাকে উজ্জ্বল করতে চাই। চাই জাতিসংঘের ৭ম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে দেখতে।
এ দাবি আবেগ থেকে নয়, বাঙালির অধিকার থেকেই। কেননা-
‘বাংলাকে জাতিসংঘের ৭ম দাপ্তরিক ভাষা করা হোক’ এ দাবিতে আজ বাংলাভাষী সবাই এক কাতারে এসে দাড়িয়েছে। এমনকি জাতির কর্ণধার ওলামায়ে কেরামও এ দাবি আদায়ে সোচ্চার হতে পিছিয়ে নেই।
‘বাংলাকে জাতিসংঘের ৭ম দাপ্তরিক ভাষা করা হোক’ এ দাবিতে একাত্ততা প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান এবং প্রেক্ষাপট শুধুমাত্র জনসংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। বাংলার দাপ্তরিক ব্যবহার অনেক দেশে বিস্তৃত না হলেও এর ঐতিহাসিক এবং দাপ্তরিক গুরত্ব অনেক।
তিনি বলেন, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তুতির পাশাপাশি ভাষাটিকে নিরাপত্তা পরিষদের ভাষা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করা উচিৎ।
৭ম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় বাংলা ভাষা হিন্দি থেকে অনেক এগিয়ে, কারণ ভারতের ২২টি ভাষা দাপ্তরিক ও হিন্দি কেবলমাত্র তাদেরই একটি, রাষ্ট্রভাষা নয়।
অপরদিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা এবং বিশ্বের মোট ৩টি দেশের দাপ্তরিক ভাষা। কিন্তু এই প্রতিযোগিতায় পর্তুগিজ ও মালয় ভাষা এগিয়ে থাকলেও এই দুটি ভাষা বাংলার মত কোন মহিমান্বিত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নেই।
তিনি বলেন, আমি আশা করব জাতিসংঘ অচিরেই বাঙালিদের প্রাণের দাবির প্রতি সচেতন দৃষ্টি দিবে।
এবিষয়ে গুলশান আজাদ মসজিদের খতিব, জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ীর পিন্সিপাল, বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি, মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির, মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন,
‘বাংলাকে জাতি সংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার হোক’ এ দাবি আমাদের প্রাণের। নিজের মাতৃভাষার সম্মান আকাশচুম্বি হোক এটা প্রত্যেকটা বাঙালি তাদের অন্তরে পোষণ করে। তবে এ দাবি আদায় করতে হলে আমাদের কিছু উদ্যোগ হাতে নিতে হবে।
জাতিসংঘà§