বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীনের স্মৃতিতে মাওলানা আহমাদুল্লাহ আশরাফ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটায় পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নিলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুরের বড় ছেলে মাওলানা শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফ।

যিনি ছিলেন একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ ও ইসলামি ব্যক্তিত্ব। বাতিলের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে দেশের আলেম ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধা ও মান্যবর।

খ্যাতিমান এই আলেম রাজনীতিবিদ সম্পর্কে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন তার বাল্যকালের সহপাঠী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব, বিশিষ্ট রাজনীবিদ ও শিক্ষানুরাগী মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক কাউসার লাবীব

মাওলানা শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফের সঙ্গে ঠিক কখন থেকে আপনার পরিচয়?

মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন: তাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে পাকিস্তান আমল থেকে। যখন আমি হিফজুল কুরআন পড়ি। আমরা ইসলামিয়া মাদরাসায় পড়তাম।

সেখান থেকে একসঙ্গে বায়তুল মোকাররম আসতাম। নামাজ পড়তাম। তখন তো কেরাতের খুব প্রচলন ছিল। পল্টন ময়দান ও শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে কেরাত সম্মেলন হতো, সেখানে কেরাত শোনার জন্য প্রায়ই আসা হতো।

তার সঙ্গে কাটানো কিছু স্মৃতিময় সময়ের কথা জানতে চাই। 

মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন: আসলে তার সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গেলে হাফেজ্জি হুজুরের সন্তানদের একটি বড় বৈশিষ্ট্যের কথা বলতে হয়- তাদের আচার-আচরণ ও চলা-ফেরায় শারাফাত রয়েছে।

তাদের সবার কুরআন তেলাওয়াত অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও মধুর। শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফ রহ. এর সঙ্গে যেহেতু আমার সম্পর্কটা দীর্ঘ দিনের, আমি তাকে দেখেছি, তিনি মানুষকে খুব আপন করে ভালোবাসতেন, কাছে টেনে নিতেন। আর আমাকে তো তিনি ভালোবাসতেন প্রাণভরে ।

আমিও তাকে ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে থেকে ভালোবাসতাম।

তার আরেকটিগুণ আমাকে মুগ্ধ করতো, তিনি প্রখর যুক্তির অধিকারী ছিলেন। তিনি তার সপক্ষের বিষয়গুলোকে চমৎকার যুক্তির মাধ্যমে মানুষের সামনে তুলে ধরতেন।

তার সঙ্গে আপনার রাজনৈতিক সম্পর্ক কখন থেকে?

মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন: পাকিস্তানের পর পরবর্তীতে বাংলাদেশ হওয়ার পরও তার সঙ্গে এবং হাফেজ্জি হুজুরের পরিবারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল অটুট। আর এটা ছিল খে