রোকন রাইয়ান
নির্বাহী সম্পাদক
খ্যাতিমান লেখক, শিক্ষক ও লেখক তৈরির কারিগর আইয়ুব বিন মঈন। তরুণ লেখকদের কাছে একটি পরিচিত নাম। ভাষা ও বানানের দক্ষতায় যিনি সবার কাছে পরিচিত মুখ। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম ১০ এমন বইয়ের নাম যা আপনার প্রিয় এবং অন্যকে সব সময় পড়তে বলবেন।
আইয়ুব বিন মঈন জানালেন, প্রিয় শব্দটি আপেক্ষিক। যেহেতু স্থান কাল পাত্র বয়স ভেদে রুচির ভিন্নতা চলে আসে। তাই প্রিয় অপ্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রেও পরির্তন আসা স্বাভাবিক। তারপরও কিছু কিছু বই সবসময় প্রিয় থেকে যায়।
প্রিয় বই কোনগুলো? এর জবাবে অনেক বইয়ের নামই বলা যায় এবং বলতে হয়। আর প্রিয় বই কোনগুলো বলে যদি কোন ধরনের বই বুঝাতে চান তাহলে বলব এখন বাস্তবধর্মী আত্মজীবনীমূলক এবং শুদ্ধ সাহিত্য ও ভাষা বিষয়ক বইগুলো আমকে বেশি টানে।
অন্যকে পড়তে বলতে পারি এমন আমার প্রিয় দশটি বই-
১. লা মিযারেবল- ভিক্টর হুগো। ২. চিলড্রেন অব দ্যা নিউ ফরেস্ট- ফ্রেডরিক ম্যারিয়্যাট। ৩. নীল আকাশ- রোমেনা আফাজ। ৪. মার্জিনে মন্তব্য- সৈয়দ শামসুল হক। ৫. বাংলা লেখার নিয়ম কানুন- ড. হায়াৎ মামুদ।
৬. বাংলা বানানের নিয়ম- ড.মাহবুবুল হক। ৭. আত্মকথা- আবুল মনসুর আহমদ। ৮ ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না- হুমায়ুন আজাদ। ৯. শব্দ সাংস্কৃতির ছোবল- জহুরী। ও ১০. প্যারাডক্সিকেল সাজিদ- আরিফ আজাদ।
তার কাছে ফের জানতে চেয়েছিলাম বই পড়ার ক্ষেত্রে এমন কোনো ঘটনা যা এখনো স্মৃতিপটে রয়ে গেছে। ভুলতে পারেন না।
একুশে বইমেলায় প্রকাশিত সব বই দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন
তিনি বললেন, যেহেতু আমাদের সেই সময় ছাত্রজীবনের পরিবেশটা ছিল একদম আলাদা। তাছাড়া আমি যে পরিবেশে বেড়ে উঠেছি তা ছিল সম্পূর্ণ প্রতিকূল । তাই আমার জীবনে বাংলা বই পড়া কেন্দ্রিক এমন অনেক ঘটনা রয়েছে যেগুলোর কথা মনে হলে এখনো গা শিউরে উঠে এবং চোখ পানি চলে আসে।
তখন আমি বগুড়া জামিল মাদরাসায় পড়ি ১৯৮৬/৮৭ সনের কথা অন্যান্য মাদরাসার মতো সেখানেও বাংলা ভাষার কোনো বই পড়াটাই (তা যত সুন্দর বিষয়ের হোক না কেন?) ছিল অমার্জনীয় অপরাধ।
এমনকি কারো কাছে বাংলাভাষার কোনো বই-পুস্তক পত্র-পত্রিকা বা ম্যাগাজিন পাওয়া গেলে তা পুড়িয়ে ফেলা হতো এবং সেই ছাত্রকে বড় ধরনের শাস্তিও ভোগ করতে হত। ক্ষেত্র বিশেষ কাউকে আবার মাদরাসা থেকে বহিষ্কারও করা হত।
এতোকিছুর ম