বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


এবার সরাসরি যুদ্ধে ইরান-ইসরাইল!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম

গত সাত বছর ধরে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। এর মধ্যে শনিবারের আগ পর্যন্ত একটি যুদ্ধ বিমানও হারায়নি দেশটির অপ্রতিরোধ্য বিমানবাহিনী। কিন্তু, অবশেষে শনিবার ওই ধারাবাহিকতায় ফাটল ধরলো। একটি ইসরাইলি যুদ্ধ বিমান গুলি করে বিধ্বস্ত করতে সক্ষম হয় সিরীয় বাহিনী।

বাস্তবিকভাবে বলতে গেলে, ইসরাইলের জন্য এটা তেমন কিছুই না। সাত বছরে সিরিয়ায় শতাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। যেকোনো মানদণ্ডেই ধরা হোক না কেন একটি যুদ্ধ বিমান ঘাটিতে ফেরত না যাওয়া নিয়ে আহামরি আক্ষেপ করার কিছু নেই। সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, সিরিয়া এত বছরে এই প্রথম কেন একটি ইসরাইলি বিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে?

শনিবার ইসরাইল সিরিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি ড্রোন ধ্বংস করে দেয়। তাদের দাবি ড্রোনটি ইরানি ও এটি ইসরাইলের আকাশসীমার ভেতরে অনুপ্রবেশ করেছিল। ইসরাইলের আকাশসীমার ভেতরে ২০০৬ সাল থেকে বহুবার ইরানে তৈরি ড্রোন দিয়ে গোপন অভিযান চালিয়েছে হিজবুল্লাহ বা হামাস। অবশ্যই, ইরানি অফিসাররাও অভিযান সম্বন্ধে অবগত ছিল।

তবে সেগুলো ছিল প্রক্সি অভিযান। কিন্তু হারেৎসের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়, যতদূর আমরা জানি, শনিবার প্রথমবারের মতো ইরান নিজ থেকে ওই ড্রোন অভিযান চালিয়েছিল। সেটা কোনো প্রক্সি ছিল না। আর এমন নজির শুধুমাত্র ড্রোনের সঙ্গেই প্রাসঙ্গিক নয়। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে আশির দশকের শুরু থেকেই।

তখন লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ইরানের সমর্থন নিয়ে শিয়া মিলিশিয়াদের নিয়ে গঠিত হয় হিজবুল্লাহ। এরপর থেকে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে প্রক্সি যুদ্ধ চলছেই, অনবরত। হিজবুল্লাহ, হামাস ও সিরিয়ার আসাদ প্রশাসনের মতো বিভিন্ন প্রক্সি ব্যবহার করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে ইরান।

গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুসারে, একইভাবে ইসরাইলও বিভিন্ন গোয়েন্দা অভিযানের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দু’পক্ষের মধ্যে কখনোই সরাসরি সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়নি। এমনকি দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যুদ্ধের কথাও কোথাও উল্লেখ করা নেই।

যেমনটা ইসরাইলের আইনানুযায়ী ১৯৪৮ সালের পর থেকে কিছু আরব দেশের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। ২০১১ সালে আইনটি সংশোধনের সময় কিছু দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করা নিষেধ করা হয়। তখন ওই দেশগুলোর মধ্যে ইরানের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু ইরানের সঙ্গে তারা যুদ্ধ করছে এমন কিছু কোনো আইনে নেই।

কিন্তু হঠাৎ ইরান তাদের প্রতিষ্ঠিত কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। তাদের বিখ্যাত রেভুলিউশনারি গার্ডের ‘কুদস বাহিনী’ প