শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

বিদ্রোহীদের দখলে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ, পালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীও

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  ইয়েমেন জুড়ে দাবানলের আগুন জ্বলছে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন দখলে নিয়েছে দক্ষিণ ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা। অবস্থা এতটাই সংকটজনক যে, প্রাণে বাঁচতে পালানোর চেষ্টা করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রীও। তিনি সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রেসিডেন্ট আগে থেকেই সৌদি আরবে আছেন।

রাতভর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পরে মঙ্গলবার বিদ্রোহী দল সাউদার্ন ট্রানজিশন্যাল কাউন্সিল দখল নেয় এডেনে অবস্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস ‘মাশিক’-এর। এই সাউদার্ন ট্রানজিশন্যাল কাউন্সিল চেষ্টা করছে, গোটা দেশ থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনকে পৃথক করার। দক্ষিণ ইয়েমেনের এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন জোগাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতও।

রবিবার থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ। তার আগে সাউদার্ন ট্রানজিশন্যাল কাউন্সিল দেশের সরকারকে ডেডলাইন দেয় ক্ষমতা ছাড়ার। সরকার তা না মানায় রবিবার তারা বিশাল বাহিনী নিয়ে আক্রমণ করে। তীব্র সংঘর্ষ হয় সেনাদের সঙ্গে। ১২ সেনা সদস্য নিহত হয়। এছাড়া আরো ৩৬ জন নিহত এবং প্রায় দুই শ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আবদে রাব্বুহু মনসুর আল হাদি এই ঘটনাকে ‘আকস্মিক অভ্যুত্থান’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত ও বাহরাইন গত তিন বছর ধরে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট আবদে রাব্বুহু মনসুর আল হাদির দলকেই সহায়তা করে আসছিল। কিন্তু আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট আবদে রাব্বুহু মনসুর আল হাদির কিছু ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। তার জেরেই রবিবার সাউদার্ন ট্রানজিশন্যাল কাউন্সিলকে লেলিয়ে দেয় আরব আমিরাত।

হাদির সঙ্গে মিশরভিত্তিক মুসলিম ব্রাদারহুডের যোগাযোগ থাকায় তাকে সন্দেহের চোখে দেখত আরব আমিরাত। সৌদি আরব অবশ্য এই বিরোধে চুপ থেকেছে। কালের কণ্ঠ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ