বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

ঘৃণা করবেন কাকে? গুনাহগার নাকি গুনাহকে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আমরা প্রত্যেকেই হর হামেশা গুনাহের কাজে লিপ্ত হই। আবার প্রত্যেকেই গুনাহগারকে ঘৃণা করি। ক্ষেত্র বিশেষে গুনাহগারের প্রতি বিষেদাগার করি। কিন্তু গুনাহগারকে ঘৃণা করার ব্যপারে ইসলামি আদর্শ কী তা আমরা অনেকেই জানি না।

মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, আমাকে এক লোক বলল হুজুর কাউকে গুনাহ করতে দেখলে আমার খুব ঘৃণা লাগে। আল্লামা মাহমুদুল হাসান তাকে জিজ্ঞেস করেন ঘৃণা কাকে করেন গুনাহকে নাকি গুনাহগারকে? লোকটি বলল, গুনাহগারকে।

তখন মাহমুদুল হাসান দা.বা. লোকটিকে বলেন, আপনার ভিতর অহংকার আছে। কারণ হাদিস শরীফে আছে ’ ‘গুনাহকে ঘৃণা করো, গুনাহগারকে নয়’। কেননা এটাতো জানা নেই যে, ব্যক্তি এখনো গুনাহের মধ্যে আছে নাকি নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে পূর্বের চেয়ে আরো বেশি আল্লাহ তাআলার নিকটবর্তী হয়ে গেছে।

গুনাহগারকে ঘৃণা করা হলো এমন একজন কালো লোককে কালো হওয়ার কারণে ঘৃণা করার মতো। অথচ এই কালো লোকটিকেও আল্লাহ তাআলাই সৃষ্টি করেছেন।

আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, আপনি এজন্য অহকাংরী যে, আপনি নিজেকে বড় মনে করছেন আর ওই লোকটিকে গুনাহ করার কারণে ছোট মনে করছেন। আপনি কিভাবে ভাবলেন যে, আপনি আল্লাহর কুব প্রিয় আর ওই ব্যক্তি তা নয়?

সুতরাং বুঝা গেলো গুনাহগারকে ঘৃণা করার আমাদের মোটেও উচিত নয়। গুনাহগার নয় বরং ঘৃণা করতে হবে গুনাহকে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বুঝার তাওফিক দান করুন।আমিন।

এসএস/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ