বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


যা আছে খেলাফত মজলিসের ৩২ দফায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : আজ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে ৬ বিষয়ে ৩২ দফা দাবি তুলে ধরে খেলাফত মজলিস। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার বিষয়ে খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে পেশকৃত প্রস্তাবসমূহ হচ্ছে:

১. নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালীকরণ :
১.১. নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ ও দলমতের উর্ধ্বে উঠে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। সকল দল ও প্রার্থীর সমানাধিকার নিশ্চিত করা। সকল ভোটার যাতে নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দ মত প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে নির্বাচন কমিশনকে তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রদত্ত ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

১.২. নির্বাচন কমিশনকে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবমুক্ত থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কাজের ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা থাকতে হবে। তদুপরি আর্থিকভাবেও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন হতে হবে।

১.৩. নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা ও নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ বিশেষত: মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে যারা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তাদেরকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশন চাইলে তাদের যে কাউকে বদলী করতে পারবেন, এমন বিধান করতে হবে।

১.৪. নির্বাচনকালীন সময়ে অন্যান্য আইন-শৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের সময়ে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসী ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।

১.৫. নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল বৃদ্ধি করা। প্রত্যেকটি নির্বাচনী আসনে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তা থেকে দক্ষ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের রিটানিং অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার নিয়োগ করার ব্যবস্থা করা।

১.৬. সকল রাজনৈতিক দল ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম বা ডিভিএম ব্যবহার করা যাবে না। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম বা ডিভিএম ব্যবহারের চিন্তা না করে নির্বাচনী কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ব্যাপক প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা।

২. সংসদীয় আসনের সীমানা ও আরপিও :
২.১. ২০০৮ সালের পূর্বে সংসদীয় আসনসংখ্যা যেভাবে বিন্যস্ত ছিল সেভাবে পুন: