সকল তারিফ আল্লাহ তায়ালার জন্য। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবি সা. এর উপর। মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন; তোমরা সর্বোত্তম জাতি মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো ইরশাদ করেন; মুমিনদের প্রত্যেক দল থেকে একটা ছোট দল কেন আল্লাহর রাস্তায় বের হয় না যেন তারা তাফাক্কুহ ফিদ দ্বীন অর্জন করতে পারে এর পর ফিরে এসে তাদের কওমকে সতর্ক করতে পারে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন; নিশ্চয় আল্লাহর বান্দাদের মাঝে ওলামারা তাকে ভয় করে।
নবি সা. ইরশাদ করেছেন; ইলম দুই প্রকার । এক. অন্তরের ইলম। এটা ইলমে নাফে। দুই. যবানের ইলম। এটা বান্দার বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে দলিল হবে। মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস:৩৪৩৬১।
আস্সালামু আলাইকুম ইয়া ওরাছাতুল আম্বিয়া! আস্সালামু আলাইকুম ইয়া ওরাছাতুল আম্বিয়া! ওলামায়ে কেরামের জন্য এর চেয়ে মর্যাদার বিষয় আর কি হতে পারে যে, তারা ওরাছাতুল আম্বিয়া। ওয়ারিছ বলা হয় বিগত ব্যক্তির সমস্ত দায়-দায়িত্বের হকদার হওয়া। আমাদের মর্যাদার জন্য এটাই যথেষ্ট যে আমরা আম্বিয়ায়ে কেরামের ওয়ারিছ। ওরাছাতের উদ্দেশ্য হল, প্রত্যেক ওয়ারিছের মিরাছ তার হকদারের কাছে যথাযতভাবে পৌছে দেয়া। এ পৌছে দেয়ার নামই তাবলীগ।
এই ‘উনওয়ানে’র উপর মেহনত, এই শিরোনামে নকল-হরকত উম্মতের সব তবকাকে জাহালাত থেকে উদ্ধার করবে। ইলম নূর। জাহালাত জুলমতের উপর জুলমত। আমাদের সর্বপ্রথম দাওয়াতের মাকসাদ সম্পর্কে অবগত হওয়া জরুরি। দাওয়াত-তাবলীগের কাজ কোন দ্বীনী ইদারা থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে করা সম্ভব নয়। মুহাম্মাদ সা.এর প্রেরণের উদ্দেশ্য হল সমস্ত উম্মতকে জাহালাত থেকে মুক্ত করা। নবি সা. এক হাদিসে নিজেকে পরিচয় করিয়েছেন ‘মুয়াল্লিম’ হিসেবে।
ইরশাদ করেছেন; বুয়িছতু মুয়াল্লিমান। অপর এক হাদিসে নিজের পরিচয় দিয়েছেন ‘মুবাল্লিগ’ হিসেবে। ইরশাদ করেছেন; বুয়িছতু মুবাল্লিগান। মুয়াল্লিম আর মুবাল্লিগের মধ্যে পার্থক্য শুধু এতটুকু, যে তলবহীন মানুষের মাঝে দ্বীন পৌছায় তাকে মুবাল্লিগ বলে । আর যে তলব সম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে দ্বীন পৌছায় তাকে মুয়াল্লিম বলে। তাবলীগ এবং তালীমের মাঝে এছাড়া আর কোন পার্থক্য আমার জানা নেই। এদুয়ের মাঝে তা‘আরুয থাকার তো কোন প্রশ্নই আসে না। এ দু‘য়ের মাঝে কোন বৈপরিত্য থাকলে নবি সা. এর দুই আমলের মাঝে বৈপরিত্য সাব্যস্ত হবে, যা অসম্ভব। এজন্য দাওয়াত-তাবলীগের কাজ করার পূর্বে এ সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরী। দাওয়াতের কাজ সম্পর্কে অসম্পূর্ণ ধারণা এ কাজের পরিধিকে সীমাবদ্ধ করে দিবে।
ইলিà