রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর হারিয়ে যাওয়া জমজম কূপের সন্ধান ‘সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে’  বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী জুয়া-অশ্লীলতা বন্ধের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করল কুমিল্লার ৭ ইসলামি সংগঠন পাঞ্জাবি ছিঁড়ে মাওলানা আনিসুর রহমানের ঘোষণা- ‘খতমে নবুওয়াতের জন্য জীবন উৎসর্গ করব’ প্রশিক্ষিত মুয়াজ্জিন সেবা চালু করেছে আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট আল-আজহার মসজিদে কুরআন পরীক্ষায় অংশ নিলেন ২৪০০ শিক্ষার্থী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণসভায় হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে নেওয়া ঠিক হবে না

রোহিঙ্গা ৫ লাখ; পরিচয়পত্র পাচ্ছে ৩২ হাজার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rohinga23আওয়ার ইসলাম: রাখাইনে ৩২ হাজার রোহিঙ্গাকে পরিচয়পত্র দেয়ার খবর ছড়িয়েছে। তবে ওই অঞ্চলের মোট নাগরিক ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জন। এদের মধ্যে মাত্র ৩২ হাজার ১৬ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন আইডেন্টি কার্ড দেয়া হলেও বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা বঞ্চিত হচ্ছে।

যে সব রোহিঙ্গা মুসলমান তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে শুধু মাত্র তারাই আইডেন্টি কার্ড পাচ্ছে। আর এ ধরনের কার্ড যাচাই বাছাই করে দিচ্ছে স্টেট কাউন্সিলর অফিস যেটির প্রধান স্টেট অব দি কাউন্সিলর অং সাং সুচি।

১৯৮২ সালে মিয়ানমার সিটিজেন ল’ অনুসারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের দেশটির নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়। এরপর এ আইনের আওতায় তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এই সার্টিফিকেট জমা দিতে বলা হয় এবং তাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে আইডেন্টি কার্ড দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু ইতিমধ্যে বছরের পর বছর ধরে বেশ কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত থাকায় তারা বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নিলেও দীর্ঘদিন ধরে এদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করছে দেশটি।

তবে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অফিস বলছে, রাখাইনে ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭২ জনকে অস্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছিল। দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবছরের পহেলা জুন অস্থায়ী পরিচয়পত্রের বদলে পরিচয় পত্র দেয়া শুরু করে।

এদিকে মিয়ানমারে ওআইসি’র বিশেষ দূত সাইয়েদ হামিদ আলবার মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এধরনের রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার পর তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে ওআইসি কোনো চাপ প্রয়োগ বা ব্যবস্থা নেবে কি না সে সম্পর্কে বিশেষ দূত কিছু জানাননি। তবে তিনি বলেছেন, এধরনের রেজিস্ট্রেশন রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্যে দেশটিতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষা সুযোগ সৃষ্টি করবে।

কুয়ালালামপুরে ওআইসি’র বিশেষ দূত সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী পরিচয়পত্রের ওপর মালয়েশিয়ার বেশি দিন বিবেচনা করা উচিত নয় বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশন করা জরুরি।

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ