শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে আজ জুমা পড়াবেন যাঁরা ‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো

বায়তুল্লা’র সবচে প্রবীণ মুআজ্জিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল্লাহ বিন রফিক: আমরা হয়তো বায়তুল্লাহর আজান শুনেছি। তবে বাস্তবে নয়, মোবাইলে কিংবা টিভিতে। আর কেউ হজে গিয়ে থাকলে সরাসরি শুনেছেন। তবে সেই সুমধুর কন্ঠে আজান যিনি দেন তাকে কি কেউ দেখেছে কখনো? চলুন আজ বিশ্বের এই গর্বিত মুআজ্জিনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই।

তার নাম শায়খ আলী আহমাদ। ৪০ বছর ধরে বায়তুল্লাহর আজান দিয়ে চলেছেন। ১৯৪৫ সালে মক্কার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। ১৯৭৫ সালে তার চাচাতো ভাই শায়েখ আবদুল মালিক মোল্লার মৃত্যুর পর থেকে আজ অবধি এই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সুমধুর কণ্ঠে আজান দেওয়ার কারণে অনেকেই তাকে ‘হারামের বিলাল’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন।

বয়স যখন মাত্র তেরোর কোঠায় তখন তিনি হারাম শরীফের বাবুজ জিয়ারতে উঠে আজান দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর বাবুল মুহকামার মিনারসহ একে একে সবগুলো মিনারে আজান দেন। এভাবে একদিন সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মক্কা শরিফের সম্মানিত মুআজ্জিন ঘোষণা করা হয়।

তিনি মক্কার সব মুআজ্জিনের তুলনায় প্রবীন এবং সবার ইনচার্জ। শুধু তাই নয় শায়খ আহমাদুল্লাহর খানদান ও পরম্পরা বছরের পর বছর ধরে বায়তুল্লায় আজানের গুরুদায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর দাদা, বাবা ও চাচা বায়তুল্লাহর আজান দেওয়ার গৌরব লাভ করেছেন। এমনকি বর্তমানে তার পুত্র শায়খ আবদুল লতিফও হারাম শরীফের মুআজ্জিনের দায়িত্বে আছেন।

সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান ও উইকিপিডিয়া আরবি অবলম্বনেি

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ