বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

আলমারিরও আছে সাজসজ্জা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

wardrobe-closet-ideasডেস্ক রিপোর্ট : আমরা যখন ঘর গোছানোর কথা চিন্তা করি, তখন প্রথমেই মনে হয় এতো কাপড় কোথায় রাখি? আলমারিতে তো কোনো জায়গাই নেই। আবার যখন কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে চাই তখন আর পরার মতো কাপড় খুঁজে পাওয়া যায় না। আসলে এটা অনেকটা নারীদের কমন সমস্যা।
সবার আলমারিই পোশাকে ঠাসা থাকে। কিন্তু জানেন কি? নারীদের আলমারিতে গুণে গুণে এমন ২২টি পোশাক থাকে যা তারা কখনো ছুঁয়েও দেখেন না।
এ ঘটনাটিও হয়তো স্বাভাবিক। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের নারীদের ক্ষেত্রে এটা প্রায়ই দেখা যায় যে, তাদের সংগ্রহে যে পোশাক আছে তার সব কখনই তারা পরে দেখেন না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, না পরলেও তারা কখনো আলমারি থেকে তা ফেলেও দেন না। ডেইলি মেইল এমনটাই জানাচ্ছে।
শুধু ব্রিটেনেই নারীরা বছরে ৫ হাজারের বেশি পোশাকের জন্য ১৬০ কোটি পাউন্ড খরচ করেন। কিন্তু এর কোনোটিই তারা কখনো পরেন না।
অনেক দর কষাকষি করে, তারকারদের পছন্দের ফ্যাশন অনুযায়ী কেনা এসব পোশাক একসময় বাতিলের খাতায় চলে যায়।
তবে শখের এসব জিনিসের এ করুণ পরিণতি হওয়ার কারণ কি? জানতে চাওয়া হয় নারীদের কাছে। উত্তর আসে, ‘তাড়াহুড়ো করে কেনাই সমস্যার মূল কারণ। বিশেষ করে ছাড়ে কেনাকাটা করার সময়।’ ৪৫ শতাংশ নারীরই এ মতামত।
নারীদের প্রতি আট জনে মাত্র একজন নিয়মিত তাদের আলমারি পরিষ্কার করেন। আর ৫০ জনের মধ্যে মাত্র একজন ১০ বছরের মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র একদিন আলমারিটি পরিষ্কারের সময় বের করতে পেরেছেন, বাকিরা তাতেও ব্যর্থ।
তবে এভাবে অর্থের অপচয়ের জন্য প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী অপরাধবোধে ভোগেন বলে অকপটে স্বীকার করে নেন তারা।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, এদের মধ্যে ১৭ শতাংশ নারীই পুরোনো ফ্যাশন আবার ফিরে আসবে এ আশায় পোশাকগুলো জমিয়ে রাখেন বলে জানান।
পুরুষদের মধ্যে যে এ অভ্যাস একদমই নেই তা বলা যায় না। কেননা তাদের ক্ষেত্রে অন্তত ১৯ ধরনের পোশাক আলমারিতে রেখে দেওয়ার কথা জানা যায়, যা সম্পর্কে স্বয়ং এর মালিকই অবগত নন।
এর মধ্যে অধিকাংশ বিক্রির যোগ্য বলে এক-তৃতীয়াংশের বেশি পুরুষ স্বীকার করেন।
গবেষণাটি পরিচালনা করা শপিং চ্যানেল কিউভিসির মুখপাত্র সু লিসন বলেন, ‘সাধারণত স্মৃতিকাতরতা থেকেই তারা পুরনো পোশাকগুলো জমিয়ে রাখেন। কিন্তু এটা বাস্তবসম্মত নয়।’
‘আপনার কাছে এরই মধ্যে যা আছে তার একটি তালিকা করুন, এটা আপনাকে একজন স্মার্ট ক্রেতা হতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে আপনার আলমারির দিকে নজর দিন এবং এমন জিনিস কিনুন যা আপনার প্রয়োজন মেটাবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ