শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ।। ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ ।। ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

শিরোনাম :
শ্রীলঙ্কায় ডিটওয়ার তাণ্ডবে মৃত্যু বেড়ে ১৩২, আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান উমরাহ খরচ কেন বাড়ছে দিন দিন! পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বক্তব্য অসত্য ও বিভ্রান্তিকর: জমিয়ত চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে গুলির পর বাংলাদেশিকে ‘ধরে নিয়ে গেছে’ বিএসএফ  মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস কাসেমী রহ.-এর আলোকিত জীবন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর প্রতি দোয়ার আহ্বান হেফাজতের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ৮৬ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন ময়মনসিংহের ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কাওমিয়্যার পুরস্কার বিতরণ ৮ ডিসেম্বর থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬২ নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের নামাজরত অবস্থায় মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু

পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বক্তব্য অসত্য ও বিভ্রান্তিকর: জমিয়ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চরমোনাইয়ের মাহফিলে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামি দলগুলোর ঐক্য ভাঙার জন্য জমিয়তকে দায়ী করে যে বক্তব্য দিয়েছেন এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। পীর সাহেবের এই বক্তব্যকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন জমিয়তের শীর্ষ নেতারা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দলের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী পীর সাহেবের বাস্তবতাবিবর্জিত এই বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ পদে থেকে পীর পরিচয় বহন করে এ রকম নির্জলা মিথ্যাচারে আমরা বিস্মিত ও হতবাক হয়েছি।

নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, সমমনার ফোরামে কোনোরকম আলোচনা ছাড়াই ইসলামী আন্দোলন যখন পিআর ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসে এবং এই দাবিতে সমমনার কনসেপ্টের বাইরে গিয়ে যখন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক দল আরেক দলের সাথে মিলে প্রোগ্রাম করে, তখন থেকে জমিয়ত সমমনার লিয়াজোঁ কমিটির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। কারণ পিআর আর এক বাক্স ফর্মুলা একটি অপরটির সাথে সম্পূর্ণ রূপে সাংঘর্ষিক। বিএনপি কিংবা জামায়াত কোনো দিকেই ধাবিত না হওয়ার সিদ্ধান্ত থাকার পরেও সমমনার ফোরামে কোনো রকম আলোচনা ও ফয়সালা ছাড়াই এই পিআর ইস্যুতে এক দলের দলীয় প্রোগ্রামে আরেক দলের সদলবলে অংশগ্রহণকে আমরা আমাদের সাথে রাজনৈতিক প্রতারণা মনে করেছি, সঙ্গত কারণেই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হওয়া থেকে আমরা বিরত থেকেছি। এর আগ পর্যন্ত অর্থাৎ কালভার্ট রোডস্থ খেলাফত মজলিসের অফিসে অনুষ্ঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে আমাদের অংশগ্রহণ ছিল, এরপরের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশের পর বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির অফিসে, সেই বৈঠকে আমরা উপস্থিত হইনি। সুতরাং এই বাস্তবতার পরেও ধর্মীয় মাহফিলের ভাবগাম্ভীর্যের কোনো তোয়াক্কা না করে একজন দলীয় প্রধানের এমন অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান জাতির সাথে দস্তুরমত তামাশা করার শামিল এবং এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণও বটে।

জমিয়ত নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু এমন অবাস্তব ও অসত্য কথা বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে তিক্ত অবস্থা তৈরি করা মোটেই কাম্য নয়। দেশের মানুষ জানে যে, হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর নির্বাচন থেকে শাপলা ট্রাজেডি পর্যন্ত ঐতিহাসিকভাবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ অতীতে ঐক্যের প্রশ্নে কতটা আন্তরিক ছিল? আর কে কতটা অনাগ্রহী ছিল?

কারো সাথে জোটে থাকা আরো কারো নেতৃত্বে জোটে থাকা কখনোই এক সমান নয় উল্লেখ করে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্যের কাঁধে দোষ চাপানোর আগে দয়া করে আয়নায় নিজের অতীত চেহারাটা একবার দেখুন।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ