রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ

আন্দোলন ব্যর্থ হলে এরা অনেকেই আবার ছাত্রলীগে ব্যাক করত : শামীম পাটোয়ারী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ব্যর্থ হলে অনেকে আবারও ছাত্রলীগে ফেরত যেত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। সম্প্রতি একটি টক শোতে হাজির হয়ে এ কথা বলেন তিনি। 

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচনব্যবস্থাটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল এবং ছাত্র মারা হচ্ছিল। মানুষ রাস্তায় নেমে গেছে।

আন্দোলনকারী ছাত্ররা এখন বলে যে আমরা আন্দোলন না করলে ২৮ সাল পর্যন্ত বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হতো। বিএনপি যদি মাঠে না নামত শেষের দিকে, সবাই মিলে মাঠে না নামত- তাহলে আন্দোলনটা ব্যর্থ হতে পারত। আন্দোলন ব্যর্থ হলে এরা অনেকেই আবার ছাত্রলীগে ব্যাক করত। বলত, আমরা একটা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছি, আমরা আবার ফিরে আসছি।’

ঐকমত্য কমিশন আরো জটিলতা সৃষ্টি করছে জানিয়ে শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘আন্দোলনটা ছিল সিম্পল, সেই মুহূর্তে শেখ হাসিনাকে দেশছাড়া করতে হবে। আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে হবে। গণপরিষদ সংবিধান করো, এটা করো সেটা করো, সো মেনি থিংস— এগুলো তো তখন আন্দোলনে ছিল না। এগুলো পরে এনে একটা জটিল কুটিল অবস্থা করা হচ্ছে।

যেখান থেকে বের হয়ে আসা কঠিন। এই ঐকমত্য কমিশনের মুখ্য দায়িত্ব আমার মনে হচ্ছে জটিলতা সৃষ্টি করা। জটিলতা কমিশন হয়ে যাচ্ছে।’

সরকারের উচিত ছিল ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া। এখন শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা তৈরি করা কঠিন উল্লেখ করে শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘যদিও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে অনেক এক্সেপশন মানা হয়।

সংবিধানে কোথাও তিন তিন ছয় মাসের কোনো এক্সেপশন নেই। তিন তিন ছয় মাসের মধ্যে ইলেকশন হতে হবে। এর বাইরে কোনো এক্সেপশন করা হয়নি। এটা তো এই সরকারকে বোঝা উচিত ছিল। দেশটা সিঙ্গাপুর করতে পারলে, মালয়েশিয়া করতে পারলে, হংকং করতে পারলে আপনি ২০ বছর ক্ষমতায় থাকেন, কোনো অসুবিধা নেই। যখন দেশটাকে আপনি পাকিস্তান করছেন, আফগানিস্তান করছেন, দেশের মানুষ হ্যাপি না, সুশাসন নেই, তখন আপনাকে ছয় মাসের মধ্যে ইলেকশন দেওয়া উচিত ছিল এবং সেটা সবচেয়ে সেফ অ্যান্ড ডিগনিফাইড এক্সিট হতো। এখন তো এমন একটা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, এখান থেকে একটা পিসফুল ট্রানজিশন অলমোস্ট ইম্পসিবল হয়ে যাচ্ছে। এই অলমোস্ট ইম্পসিবল জিনিসটা কিভাবে পসিবল হবে, আমরা অন্তত রাজনীতিবিদরা তার কোনো ওয়ে আউট দেখি না। সে ক্ষেত্রে বিএনপির ওপর অনেক বড় দায়িত্ব। একটা ইনক্লুসিভিটি, একটা ফেয়ারনেস, একটা ট্রাজিশন, একটা স্যাক্রিফাইস- সব দিকেই বিএনপিকে দেশটা বাঁচাতে হবে।’

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ