বাংলাদেশে যে কয়জন আলেম মেধা ও শ্রম দিয়ে গ্রহণযোগ্য অবস্থানে পৌঁছেছেন, মাওলানা লিয়াকত আলী তাদের অন্যতম। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি মিরপুরের মাদ্রাসা দারুর রাশাদের শিক্ষা সচিব ও জামিয়া রাহমানিয়া আজিজিয়ার শায়খুল হাদিস। সম্পাদনা করেছেন কওমি মাদ্রাসার নেসাব ও নেজাম বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক গ্রন্থ ও স্মারক। তিনি দেশ রূপান্তরের মুখোমুখি হয়ে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা ও পরিচালনাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিযানুর রহমান জামীল
দেশ রূপান্তর : কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি হয়েছে, কিন্তু কার্যকর হয়নি। কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সনদের কার্যকারিতা বাড়ানো কি দরকার?
মাওলানা লিয়াকত আলী : হ্যাঁ, বাড়ানো দরকার। জাতীয় সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, এটা বড় একটা অর্জন। এই স্বীকৃতি যেমন ব্যতিক্রমী, তেমনি এর কার্যকারিতা এখনো সীমিত পর্যায়ে। সবপর্যায়ে এই স্বীকৃতি কার্যকর ও প্রয়োগের জন্য বেশকিছু ধাপ অতিক্রম করা এখনো বাকি। প্রথমত দাওরায়ে হাদিসের আগের à¦
