রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার কেলাংয়ে আমিরে মজলিসের সমাবেশ, নতুন কমিটি গঠন পাকিস্তান তাবলিগের প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা হাবিবুল হকের ইন্তেকাল দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের

অপরাধী যে-ই হোক, প্রাপ্য বিচার নিশ্চিত করতে হবে: মাওলানা ইউসুফী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক, তার প্রাপ্য বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিচারপ্রক্রিয়া যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার না হয় এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন অন্যায়ভাবে প্রতিহিংসার শিকার না হন, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘কথায় আছে, পাপ বাপকেও ছাড়ে না। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান কিংবা প্রধান বিচারপতি—কেউই এর বাইরে থাকছেন না। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদ এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকসহ অনেককেই নিজ নিজ আমলের কর্মকাণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়েছে।’

মাওলানা ইউসুফী বলেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ শাস্তিও পেয়েছেন। একইভাবে সদ্য সাবেকরাও তাঁদের আমলে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য বর্তমানে জবাবদিহির মুখোমুখি হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘অপরাধী যে-ই হোক, তার প্রাপ্য বিচার তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে সেই বিচার হতে হবে বাস্তবতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হয়।’

বর্তমানে যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রয়েছেন, তাঁদেরও এ বিষয়ে সতর্ক ও সাবধান থাকার আহ্বান জানান মাওলানা ইউসুফী। তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একসময় তিনি ক্ষমতাবান ও বিতর্কিত সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে শাপলা চত্বরে তিনি ‘কোথায় হেফাজতের নেতারা’ বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে হেফাজতে ইসলামের তৎকালীন আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ছাত্র-শিষ্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মাওলানা ইউসুফী বলেন, ‘আজ জিয়াউল আহসান কারাবন্দী এবং বিচারের মুখোমুখি। জাতি এখন তাঁর বিষয়ে যথাযথ, ন্যায়সংগত ও আইনানুগ বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অপরাধের বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি বিচারপ্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারও নিশ্চিত করা জরুরি।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ