বিশেষ প্রতিনিধি
সম্প্রতি পরপর কয়েকটি নেতিবাচক সংবাদের শিরোনাম হয় দেশের কওমিভিত্তিক মহিলা মাদরাসাগুলো। জাতীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ঘটনা তোলপাড় সৃষ্টি করে। যারা মাদরাসার অস্তিত্ব চায় না- তারা যেমন এসব ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে, তেমনি কওমি মাদরাসা সংশ্লিষ্টরাও এসব ঘটনার বিচারে জোরালো দাবি জানিয়েছেন। মহিলা মাদরাসাগুলোর জবাবদিহিতা জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। মাদরাসার মতো দীনি পরিবেশে নৈতিক স্খলন কিংবা চারিত্রিক অধঃপতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার না। স্বাভাবিকভাবেই সবাই এসব ঘটনায় ব্যথিত হয়েছেন, মহিলা মাদরাসার ভবিষ্যৎ নিয়ে হয়েছেন চিন্তিত।
তবে কেউ কেউ আবাসিক ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মহিলা মাদরাসায় আবাসিক ব্যবস্থাপনা বন্ধ করে দিতে বলেছেন। কিন্তু তাদের এই দাবি কতটা যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত সেটা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। মাথাব্যথায় মাথা কেটে ফেলে দেওয়া তো কোনো সমাধান না। দেশে কয়েক হাজার কওমি মহিলা মাদরাসা চলছে আবাসিক ব্যবস্থাপনায়। এসব মাদরাসার শিক্ষার্থীর সংখ্যাও লাখ à