শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ।। ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে ইরান যেন ক্ষমা চায়, সেই দাবি করেছে থাইল্যান্ড আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে ৮ মুসলিম দেশের নিন্দা শনিবার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ স্বজনকে হারালেন ইসলামী আন্দোলন নেতা, দলের শোক বাগেরহাটে বর–কনেসহ ১৩ জন নিহতের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জমিয়তের শোক রমজানে মাদরাসাগুলোর প্রতিও বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রত্যেক শহীদের রক্তের প্রতিশোধ নেবে ইরান: মোজতবা খামেনি বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘খতমে বুখারি ফুল দেওয়া ও ছবি তোলার জন্য নয়, অশ্রু ঝরানোর সময়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি এবং দারুল উলুম দেওবন্দের সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা সাইয়েদ আরশাদ মাদানী বলেছেন, খতমে বুখারি অনুষ্ঠান ফুল দেওয়া ও ছবি তোলার জন্য নয়, বরং এটি অশ্রু ঝরানোর সময়। 

গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দারুল উলুম দেওবন্দের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী জলসায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আরশাদ মাদানী বলেন, আল্লাহর কসম! আমি এই দরসগাহে খতমে বুখারির দিন বহু মানুষকে কাঁদতে কাঁদতে বেহুঁশ হয়ে যেতে দেখেছি। এমনকি তাদেরকে তুলে নিয়ে যেতে হয়েছে।

ভারতীয় মুসলিমদের এই অভিভাবক বলেন, এগুলো (ফুল দিয়ে সাজানো, ছবি তোলা) আকাবিরদের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী। আর দারুল উলুম দেওবন্দ টিকে থাকতে পারে শুধু আকাবিরদের পদাঙ্ক অনুসরণের মাধ্যমে।

তিনি বলেন, সাইয়িদুনা হজরত আবু বকর সিদ্দিক রা. ইরশাদ করেছিলেন: أينقص الدَّين وأنا حي؟

‘দীন হ্রাস পাবে আর আমি জীবিত?’ বরং আমি বলি- ‘আমার জীবদ্দশায় দারুল উলুম দেওবন্দ যদি পূর্বসূরিদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ