শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

‘কাদিয়ানিদের সম্মেলনে ইহুদিদের ঢল বিশ্ব মুসলিমের জন্য গুরুতর সংকেত’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসরায়েলে আয়োজিত কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের মহাসম্মেলনে বহিরাগত ও ইহুদিদের ব্যাপক উপস্থিতির খবর প্রকাশিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসরায়েলের মাটিতে ওই সম্প্রদায়ের এমন বৃহৎ সমাবেশ এবং সেখানে জায়নবাদী ইহুদি সম্প্রদায়ের ব্যাপক উপস্থিতি ও প্রকাশ্য সখ্যতা বিশ্ব মুসলিমের জন্য ‘গুরুতর সংকেত’।

মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতি ও মুসলিম বিশ্বের বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ঘটনাটিকে সাধারণ বা বিচ্ছিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর নেপথ্যে থাকা উদ্দেশ্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং মুসলিম সমাজে এর সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসরায়েলে এ ধরনের মহাসম্মেলন নতুন কোনো বার্তা দিচ্ছে কি না। ভবিষ্যতে এসব যোগাযোগ প্রচারণা, তথ্যযুদ্ধ, জনমত প্রভাবিত করা কিংবা মুসলিম সমাজে বিভ্রান্তি ও অনৈক্য সৃষ্টির উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হলে তা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে ঘটনাবলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও নিরপেক্ষ গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো ঘটনা নিয়ে আবেগ বা গুজবের ওপর নির্ভর না করে তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে উম্মাহকে সচেতন করতে হবে।’

মাওলানা রাব্বানী আরও বলেন, তাদের দৃষ্টিতে কাদিয়ানি মতবাদ ও এর কৌশলগত অবস্থান শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের সমস্যা নয়; বরং এটি সমগ্র মুসলিম বিশ্বের আকিদার ওপর একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিশ্বজুড়ে আলেম-ওলামা, ইসলামি চিন্তাবিদ, দাঈ ও গবেষকদের এ বিষয়ে তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘যেকোনো ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইঙ্গিতকে অবহেলা করাও মারাত্মক ভুল।’

বিবৃতির শেষে মুসলিম উম্মাহর আকিদা ও নিরাপত্তার স্বার্থে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন তৎপরতার ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সর্বস্তরের তাওহিদি জনতাকে শান্ত থেকে সচেতনতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনার অনুরোধ করেন।

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ