শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মনযূর আহমাদ

সদা হাস্যোজ্জল প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর মানুষটি হাঠাৎ-ই চির দিনের জন্য চোখের আড়ালে চলে গেলেন। খবরটি শুনে বুমূঢ়, বিস্মিত হয়েছিলাম; কিন্তু এটাই বাস্তব। তিনি এখন পৃথিবীতে নেই। পরপারের মেহমান। আর দেখা হবে না, কথা হবে না। আমরা এক সাথে কত বিষয় নিয়ে আলাপ করতাম। আমি তার আলাপা থেকে উপকৃত হতাম।

আসলেই তিনি ছিলেন উপকারী এক ব্যক্তি। যার দ্বারা আমরা বহুভাবে উপকৃত হয়েছি। তিনি ছিলেন বহু মাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। শিক্ষক, লেখক ও সম্পাদক হিসেবে তিনি ছিলেন অসাধারণ। তাঁর বাংলা-ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়। মেধায় ছিলেন তুখোড়। ব্যক্তি ও সমাজ সম্বন্ধে তাঁর বিশ্লেষণ ছিলো হৃদ্য ও শাণিত। মৃত্যু এক অনিবার্য সত্য।

আমি তাকে ‘জুবাইর সাহেব’ই ডাকতাম। আমার এই ডাক শুনে তিনি মিটিমিটি হাসতেন। বলতেন, আমি তাহলে ‘সাহেব’! বলতেন, ‘আপ