জীবনের সব ক্ষেত্রেই যদি করা যায় রাসুল (সা.)-এর রেখে যাওয়া সুন্নাতের অনুসরণ, সাহাবাদের অনুকরণ ও কোরআন-হাদিসের হুকুম-আহকামগুলোর (নিজের জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে) সঠিক বাস্তবায়ন, তাহলেই সৃষ্টিকুলের মহান স্রষ্টা, বিচার দিনের মহান দ্রষ্টা আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের রহমতে অতিক্রম করা যেতে পারে জান্নাতের মহা তোরণ।
পবিত্র কোরআনে কারিমের মধ্যে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, 'যারা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করবে, তারা সেসব লোকের সঙ্গে থাকবে, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন, অর্থাৎ নবীগণ, সিদ্দিকগণ, শহিদগণ ও সালেহগণের সঙ্গে। কতই না উত্তম সঙ্গী তাঁরা!' -সুরা নিসা : ৬৯-
আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেন, 'যে কেউ রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ওই দিকেই ফেরাব, যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতম গন্তব্য স্থান। -সুরা নিসা : ১১৫
প্রতিটি কাজেই রাসুল (সা.)-এর সুন্নাতকে প্রাধান্য দেওয়া আবশ্যক। কেননা মুসলমানের প্রতিটি কাজ ইবাদতে পরিগণিত হয়, যদি তা রাসুল (সা.)-এর সুন্নাত অনুযায়ী হয়। মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে এমন কিছু কাজ থাকে, যা প্রতিনিয়তই করতে হয়। পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ পাওà