রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

গাজায় ৬০০ হাফেজকে সম্মাননা দিল আমিরাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ৬০০ তরুণ কুরআনের হাফেজকে সম্মাননা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পবিত্র কুরআন মুখস্থ করার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি এবং তাদের শিক্ষা ও ধর্মীয় চর্চা অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি আমিরাতের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট-৩’–এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার কঠিন বাস্তবতায় শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মধ্যে ইতিবাচক মূল্যবোধ, ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট-৩’-এর মানবিক ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ।

অনুষ্ঠানে হাজারো অভিভাবক ও পরিবারের সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন কুরআনিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল ওয়াকফ ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইকরা অ্যাসোসিয়েশন, দারুল কুরআন আল-করিম, দারুল ইতকান, ইয়ং মুসলিম উইমেন অ্যাসোসিয়েশন, আল-সাফা একাডেমি এবং আল-সাহাবা অ্যাসোসিয়েশন।

গর্ব ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত, ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনা এবং মেধাবী শিশু ও কুরআনের হাফেজদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের মতে, এ আয়োজন শিশুদের দৃঢ়সংকল্প, অধ্যবসায় এবং ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে সম্মানিত শিশুদের উপহার ও আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের পবিত্র কুরআন মুখস্থ করার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ভবিষ্যতে আরও উৎসাহিত করতে শুভকামনা জানানো হয়।

আয়োজকদের ভাষ্য, গাজার কনিষ্ঠ প্রজন্মের জন্য আশা, প্রেরণা ও যত্নের পরিবেশ তৈরি করতে এবং তাদের শিক্ষা ও ধর্মীয় বিকাশে সহায়তা করতেই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ