রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

যৌথ প্রতিরক্ষায় আমিরাত-ইসরায়েল এখন পাশাপাশি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বিশ্বকে চমকে দিয়ে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও যৌথভাবে আধুনিক প্রযুক্তি কিনতে এক বিশেষ প্রতিরক্ষা তহবিল গড়ে তুলেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল।

ঘটনার সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারিতে, যখন ইরানের প্রায় ৩ হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছিল আমিরাতের বুকে। তখন অপ্রত্যাশিত ত্রাতা হয়ে আসে ইসরায়েল। তারা গোপনে পাঠায় তাদের ‘আয়রন ডোম’ ও সেনা। সেই ভরসার সূত্র ধরেই যুদ্ধ চলাকালে নেতানিয়াহুর এক অঘোষিত সফরে চূড়ান্ত হয় এই গোপন অস্ত্রচুক্তি।

নেপথ্যের কারণটি বেশ পরিষ্কার। মূলত ইসরাইলের কাছে রয়েছে বিশ্বসেরা সামরিক প্রযুক্তি, কিন্তু অর্থনৈতিক টানাপোড়েন আর মার্কিন সহায়তার অনিশ্চয়তা তাদের বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে, আমিরাতের কাছে রয়েছে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম তহবিল, কিন্তু অভাব ছিল উন্নত প্রযুক্তির। ফলে এই চুক্তি দুই দেশের জন্যই এক মোক্ষম সুযোগ।

বিশেষ করে ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে এই তহবিল থেকে বিপুল অর্থ খরচ করা হচ্ছে। অন্যদিকে সৌদি আরব পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে জোট গড়ছে।

যুদ্ধ শেষে ইরান আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে— এই ভয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষাকবচ হিসেবে ইসরাইলকেই চূড়ান্ত হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে আবুধাবি। সমমনা এই দুই দেশের নতুন জোট এখন মধ্যপ্রাচ্যের হিসাব-নিকাশই বদলে দিচ্ছে।

সূত্র: মিডলইস্ট আই


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ