রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

কুরআন হিফজ কার্যক্রমে ৬০ বছরের অবদানের জন্য সৌদি বাদশাকে সম্মাননা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সৌদি আরবে কুরআন হিফজ কার্যক্রমে দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃষ্ঠপোষকতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১৩ মে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একটি প্রতিনিধি দল সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বাদশাহ সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মাননা প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে কুরআন হিফজ সংস্থাগুলোর ভূমিকা এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তাদের অবদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত কুরআন হিফজ কার্যক্রমের ধারাবাহিক উন্নয়ন, কুরআনের শিক্ষা ও তাফসির প্রচার, এবং বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের অনুবাদ বিতরণের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করা হয়।

এ সময় প্রতিনিধি দল যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের কাছে একটি বিশেষ সম্মাননা উপহার হস্তান্তর করে। এর মধ্যে ছিল একটি মর্যাদাপূর্ণ শিল্ড, হাতে লেখা পবিত্র কুরআনের কপি এবং রিয়াদের একটি হিফজ সংস্থার মাধ্যমে উপকৃত ২১ হাজারেরও বেশি হাফেজের নামসংবলিত একটি ফলক।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) জানিয়েছে, এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সম্মাননা নয়; বরং এটি সৌদি নেতৃত্বের দীর্ঘদিনের কুরআন ও ইসলামি শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশের বিভিন্ন কুরআন হিফজ সংস্থা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান ইসলামি শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, এই উদ্যোগগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবায় সৌদি আরবের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে।

সূত্র: সৌদি গেজেট

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ