সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান গুটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে এক নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন। তবে তার এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের নাতানজ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, তাদের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা নাতানজ লক্ষ্য করে ভয়াবহ আক্রমণ চালানো হয়েছে। 

শনিবার ( ২১ মার্চ) ইসরায়েল ও ইরান একে অপরের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, 'ইরানের সন্ত্রাসী শাসনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি আমরা। এখন আমরা এই অভিযান গুটিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছি।'

তবে একই পোস্টে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধের পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নেবে না। যেসব দেশ এই নৌপথ ব্যবহার করে, পাহারার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করবে।

যুদ্ধ যখন চতুর্থ সপ্তাহে পা দিয়েছে, তখন ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসা এই বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলোকে বিভ্রান্তিতে ফেলেছে। কারণ, একদিকে ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের কথা বলছেন, অন্যদিকে বিপুল সংখ্যক মার্কিন মেরিন সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া, নতুন সেনা পাঠানোর প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে ওয়াশিংটন এখনও স্পষ্ট কিছু বলেনি।

নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার ঘটনাটি ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইরান এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ি করলেও তেল-আবিব বরাবরের মতো নিরবতা পালন করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি নাতানজের বড় কোনো ক্ষতি হয়ে থাকে, তবে ইরান তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে পাল্টা জবাব দিতে পারে।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ