সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

আফগানিস্থানের সাত জায়গায় পাকিস্তান বাহিনীর হামলা 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষের পর আফগানিস্থানে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির বিমান হামলায় আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে শিশুও রয়েছেন। 

গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ওই হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃতদেহ চাপা পড়েছে। এতে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে স্থানীয়রাও উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন।  


নাঙ্গারহার পুলিশ জানান, রাত প্রায় বারোটার দিকে হামলা শুরু হয়। তিনটি জেলায় একযোগে এ আঘাত করা হয়েছে। 

পুলিশের মুখপাত্র সায়েদ তাইয়েব হাম্মাদ বলেন, ‘অনেক নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়েছেন। একটি বাড়িতে ২৩ জন পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার মধ্যে আহত অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’


ইসলামাবাদের সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় আফগানিস্তানকে লক্ষ্য করে সাত জায়গায় হামলা চালিয়েছে। কয়েকদিন আগে পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া আত্মঘাতী বোমা হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। সেনারা ইসলামিক স্টেটের একটি শাখা এবং তাদের সহযোগীদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, হামলায় নাঙ্গারহার প্রদেশের একটি মাদ্রাসা ও কিছু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন অনেকে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, পাকিস্তানের এই হামলার ‘যথাযথ ও সুপরিকল্পিত জবাব’ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান সরকার আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে বিরোধ বৃদ্ধি পায়। দুই দেশের সীমান্তে সর্বশেষ বড় সংঘর্ষ হয়েছিল গত বছর (২০২৫) অক্টোবর মাসে। তখন প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলে। 

জাতিসংঘ মিশনের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানে অন্তত ৭০ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির পর বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে, কিন্তু এখনও দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী চুক্তি হয়নি।

এদিকে পাকিস্তান দাবি করছে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তালেবান সরকার আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে, আফগান সরকার হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সূত্র: গালফ নিউজ

 

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ