সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

গাজায় সেনা মোতায়েন করবে ৫ দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ) যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর বৈঠকে এই ঘোষণা দিয়েছেন নতুন বাহিনীর কমান্ডার মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। সূত্র: আলজাজিরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ডের বৈঠকে জেনারেল জেফার্স বলেন, এই প্রথম পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা গাজায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করব। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া বাহিনীতে ডেপুটি কমান্ডার পদ গ্রহণ করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন, তার দেশ গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ ৮,০০০ সেনা পাঠাবে। প্রাবোও বলেন, এই শান্তি কার্যকর করার জন্য আমরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখব।

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত তোকায়েভ জানান, তার দেশ চিকিৎসা ইউনিটসহ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা পাঠাবে। মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা বলেছেন, তার দেশ গাজায় পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েনে পূর্ণপ্রস্তুত।

আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন, সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। প্রতিবেশী দেশ মিসর ও জর্ডান পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অংশ নেবে বলে জানিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি। দেশটি জোর দিয়ে বলেছে, এই অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য গাজায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা । পাশাপাশি ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা রোধে সহায়তা করা। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭২,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএসএফ-এর প্রথম দল হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার সেনারা গাজায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বাহিনীটি রাফাহের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থান করবে এবং সেখানে অফিস ও বাসস্থান নির্মাণের কাজ চলছে।

এই উদ্যোগকে গাজায় চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে মনে করছেন গবেষকেরা ।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ