রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় চার মুসলিম যুবককে মারধর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় চার মুসলিম যুবককে মারধর, লুটপাট ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। রাজ্যটির বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর এলাকায় এই ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও অভিযুক্তরা এখনও পলাতক।

জানা গেছে, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে হরিশচন্দ্রপুর থেকে বাড়ি ফেরার পথে জাতীয় সড়কের গড়গড়ি এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী একটি গাড়ি থামিয়ে দেয়। গাড়িতে থাকা চার মুসলিম যুবকের পরিচয় জানার পর তাদের ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়। তারা তা বলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মারধর করা হয় এবং সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল লুট করা হয়।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে হরিশচন্দ্রপুর-২ ব্লকের দক্ষিণ তালসুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদুর রহমান, ইব্রাহিম আলী, শহিদ আনোয়ার ও মুজাহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাদের মারধরের পাশাপাশি গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়া হয় এবং ব্যাগে থাকা প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লুট করে নেয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতিরা পালিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগীরা হরিশচন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে গড়গড়ি এলাকার বাসিন্দা চন্দন মাহালি, সাগর মাহালি ও মিঠুন রজকসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

তবে প্রধান অভিযুক্ত চন্দন মাহালির পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। চন্দনের মা শান্তি মাহালি বলেন, জোর করে ‘জয় শ্রী রাম’ বলানোর মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। তার দাবি, দু’পক্ষের মারামারিতে আহত হয়ে চন্দন বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তিনি পলাতক নন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ