রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ মাদরাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান আজহারীর ঢাকা মহানগর উত্তর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী শীতকালে নিজেকে সুস্থ রাখার উপকারী ১০টি টিপস ৩ দিন পর সচল হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা: নতুন বাণিজ্য রুট খুঁজছে আফগানিস্তান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পাকিস্তানের সঙ্গে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে সীমান্তের দুই পাশের মানুষের জীবন ও বাণিজ্যে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান এখন বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে নতুন রুটের সন্ধানে নেমেছে।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই কাবুল–ইসলামাবাদ সম্পর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে—যা তালেবান সরকার বারবার অস্বীকার করেছে। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী (অর্থনৈতিক বিষয়ক) আব্দুল গনি বারাদর ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে হবে।

পাকিস্তান আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। দেশটি কাবুলে চাল, ওষুধ ও বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহ করে; পাশাপাশি ২০২৪ সালে আফগানিস্তানের মোট রপ্তানির প্রায় ৪৫ শতাংশ আমদানি করেছে। তবে গত ১২ অক্টোবরের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ও সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। সীমান্তে ডজনখানেক আফগান ট্রাক পণ্যসহ আটকে পড়ে।

পরে নাজুক এক যুদ্ধবিরতি হলেও ক্ষতি কমেনি। পাকিস্তান–আফগানিস্তান জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি জানায়, দুই দেশের সম্মিলিত ক্ষতি ১০ কোটি ডলারেরও বেশি, এবং প্রায় ২৫ হাজার সীমান্তকর্মী এতে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছেন। বারাদর সতর্ক করে বলেন—ব্যবসায়ীরা যদি পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে না পারেন, তবে সরকার তাদের কোনো সহায়তা দিতে পারবে না।

নতুন করে কোনো অস্থিরতা এড়াতে তালেবান সরকার এখন বাণিজ্য রুটের বিকল্প হিসেবে ইরান, মধ্য এশিয়া—এমনকি আরও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর দিকেও নজর দিচ্ছে।

সূত্র: এএফপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ