রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ মাদরাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান আজহারীর ঢাকা মহানগর উত্তর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী শীতকালে নিজেকে সুস্থ রাখার উপকারী ১০টি টিপস ৩ দিন পর সচল হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

২১৫ বছরের প্রাচীন গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাইজেরিয়ার কোয়ারা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ইলোরিনে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়েছে ঐতিহাসিক গাম্বারি মসজিদ—যা প্রায় ২১৫ বছর আগে, ১৮০৮ সালে নির্মিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ব্যাপক সংস্কার ও সম্প্রসারণ শেষে মসজিদটিতে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক গ্রন্থাগার এবং নামাজিদের চাপ সামলাতে বাড়ানো হয়েছে স্থাপনার পরিসর। তবে পুরো প্রকল্পজুড়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল স্থাপত্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে—যেখানে অতীতের রূপ ও আধুনিক সুবিধা মিলেছে সমন্বিতভাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ারা ও বোর্নো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, ইলোরিনের প্রতিনিধিরা এবং কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তামন্ত্রীসহ বহু ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্গঠন কমিটির চেয়ারম্যান ইদ্রিস আবদুল্লাহ হারুন বলেন, “নতুন গাম্বারি মসজিদ শুধু একটি সংস্কার নয়; এটি আমাদের ঐক্য, ঈমান ও জ্ঞানের আলো বহন করে।” তিনি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ঐতিহ্য রক্ষার ভূমিকা স্মরণ করেন।

ইতিহাসবিদদের মতে, গাম্বারি পরিবার দুই শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মসজিদটি নির্মাণ করে; তাদের বংশধরেরা এখনও এর রক্ষণাবেক্ষণে যুক্ত। ২০১৮ সালে সরকারি অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়, যাতে স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

ইলোরিনের ইমাম শাইখ মুহাম্মদ বাশির সালিহুর বক্তব্যে কোয়ারা–বোর্নো অঙ্গরাজ্যের দীর্ঘকালীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উঠে আসে। আয়োজকদের মতে, গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার পুনর্জাগরণ নয়—এটি স্থানীয় সমাজে ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ