মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফতোয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশ্নকারীর মানসিক অবস্থা বিবেচনার আহ্বান কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন

নিপীড়িত উইঘুরদের নিয়ে নিশ্চুপ কেন মুসলিম দেশগুলো, জানালেন মানবাধিকারকর্মী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চীনের উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায় বছরের পর বছর ধরে নির্যাতিত-নিপীড়িত হচ্ছে। তবু তাদের পক্ষে জোরালো কোনো অবস্থান নেয়নি মুসলিম বিশ্ব। এবার এর নেপথ্যের কারণ জানা গেল।  চীনের অর্থনৈতিক শক্তি উইঘুরদের পক্ষে মুসলিমদের আওয়াজ বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উইঘুর আমেরিকান উদ্যোক্তা ও মানবাধিকারকর্মী কুযযাত আলতেয়।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় উইঘুরদের ওপর চীনের ধারাবাহিক নির্যাতন সত্ত্বেও মুসলিম দেশগুলোর নির্লিপ্ততার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রায় অধিকাংশ মুসলিম দেশের সঙ্গে চীনের শক্তিশালী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি রয়েছে। উইঘুরদের পক্ষে কথা বললে এসব চুক্তি রক্ষা করা সম্ভব হবে না, তাই মুসলিম দেশগুলো উইঘুরদের পক্ষে কথা বলতে পারে না।

কুযযাত আলতেয় আরও বলেন, চীন মুসলিম দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে উইঘুর প্রশ্নে এসব দেশের সরকারকে চাপে রাখে এবং মিডিয়াকে উইঘুর সম্পর্কে কথা বলতে বিরত রাখে। উইঘুরের এ মানবাধিকারকর্মী বলেন, সব তথ্যের নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে থাকায় মুসলিম দেশগুলো চীনের উত্তর তুর্কিস্তান দখল ও সেখানে গণহত্যার প্রস্তুতি সম্পর্কে অবগত নয়। যদি এসব দেশের মানুষ সঠিক সংবাদ সম্পর্কে অবগত হয়, তাহলে তারা আওয়াজ উঠাবে এবং তাদের সরকার জনগণের বিরোধিতার কারণে চাপে পড়ে প্রতিবাদ জানাতে এবং চীনের সঙ্গে তাদের ব্যাবসায়িক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবে।

বক্তব্যে তিনি বিশ্ববাসীকে উইঘুরদের পক্ষে আওয়াজ তুলে তাদের নিপীড়ন থেকে রক্ষার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, চীনের জিনজিয়ান অঞ্চলের ‘পুনঃশিক্ষণ’শিবির বেশ বড়। স্বাধীন হিসাব মতে, এই শিবিরে ১০ লাখের বেশি উইঘুর নারী-পুরুষ বন্দি আছেন। সেখানকার ব্যবস্থা বেশ গোপনীয়। ফলে শিবিরের ভেতরে কী ঘটে, তার খবরাখবর তেমন বাইরে আসে না। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, চীন সরকার ধীরে ধীরে উইঘুরদের ধর্মীয়সহ অন্যান্য স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ