রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ গেল ২১ জনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাস অনুভূত হয়েছে। হয়েছে আকস্মিক বন্যাও। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশটিতে ইতোমধ্যে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সামনের দিনগুলোতে আবারও বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা। খবর এএফপির।

দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ রিও গ্রান্ডে দো সুলের গভর্নর এডুয়ারর্তো লেইতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ব্রাজিলে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড় আমাদের প্রদেশের ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল। বন্যার পানি কমে যাওয়ার পরই আমরা হতাহতের খবরটি জানতে পারি। এতে আমি শোকাহত। শুধু মুকুম শহরেই ১৫টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মাধ্যম নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।’

কর্মকর্তারা বলেন, সোমবার আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড়ের আগে ছয় হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ মিলিমিটার বা প্রায় ১২ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়। এতে করে বন্যা ও ভূমিধস ঘটে। বৃহস্পতিবার থেকে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় কর্তৃপক্ষ ফের বন্যার সতর্কতা দিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জিজেডএইচের তথ্যমতে, পাঁচ হাজার মানুষের শহর মুকুম সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাকওয়ারি নদীর পানি উপচে পড়ে ছোট শহরটির ৮৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। শহরটির শতাধিক বাসিন্দাকে বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়।

মুকুম শহরের মেয়র মাতুয়েস টোরজান বলেন, ‘এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আমরা যে শহরটিকে চিনতাম, তা আগের মতো নেই।’

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংহতি বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য তৈরি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ