শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিশু নিপীড়ন ও আইন হাতে নেওয়া কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়: হেফাজত মাগরিবের নামাজে ইমামতিকালে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু জুমা শেষ হতেই আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে গেল ইসরায়েলি পুলিশ ঈমানের মাধুর্যেই মেলে অন্তরের প্রশান্তি: শাইখ সালেহ বিন হুমাইদ পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার ও সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধের দাবি বাড়িতে মাদরাসা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই গাছচাপায় ইমামের মৃত্যু পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মক্কাসহ চার শহরে সতর্কতা জারি সৌদির  সাদপন্থীরা আর কখনও টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী টঙ্গী ময়দানে সাদপন্থিদের ইজতেমা না করার দাবি শুরায়ি নেজামের

শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, যেদিন হবে শবে বরাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের আকাশে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে (শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে) শবে বরাত পালিত হবে।

সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খানের উপস্থিতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শবে বরাতের পরদিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি। এবার এ ছুটি পড়ছে ২৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার)।

শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত হচ্ছে হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে পালিত মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ রাত। এই রাতকে ভাগ্যরজনী বলা হয়ে থাকে। এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদের বিশেষভাবে ক্ষমা করেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানরা শবে বরাতে মহান আল্লাহ ও তার প্রিয় হাবিবের সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য নফল রোজা, দান সদকা ও এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকেন।
 
মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় বেশি বেশি নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন।
 
এই রাতের তেরটি নাম রয়েছে। নামের আধিক্য এর মাহাত্ম্য প্রমাণ করে। বারাআত থেকে বরাত। বারাআত অর্থ মুক্তি। আল্লাহ তায়ালা এ রাতে ইমানদার বান্দাদেরকে গুনাহ থেকে মুক্ত করেন। এ ছাড়া এ রাতকে দুআর রাত, ভাগ্য রজনী, বরকতময় রাত, নিসুফু শাবান, শাবান মাসের মধ্য রজনী, শাফাআতের রাত, ক্ষমার রাত, জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত, জীবন রাত্রি, তকদিরের রাত ও অন্য আরও অনেক নামে ভূষিত করা হয়েছে।
 
উপমহাদেশে শবে বরাত নামেই পরিচিতি পেয়েছে এই মহিমান্বিত রজনী। কোরআন হাদিসের ভাষ্য অনুসারে শবে কদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। কিন্তু শবে কদর নির্দিষ্ট নয়। রাসূল সা. শবে কদরের দিন সম্পর্কে জানাতে হুজরা থেকে রেব হয়েছিলেন। দুজন লোককে ঝগড়া করতে দেখে নবীজী শবে কদরের তারিখ ভুলে গেলেন। এরপর নবীজী সা. বললেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকে শবে কদর তালাশ করো। শবে কদর অনির্দিষ্ট হওয়ার ফলে শবে বরাত মুসলিম উম্মাহর কাছে অধিক গুরুত্ব পেয়ে এসেছে। শবে কদর একদিকে অনির্দিষ্ট, অন্যদিকে শবে কদর রমজান মাসে হওয়ায় এটাকে কেন্দ্র করে খুব উৎসবমুখর থাকা যায় না। কারণ রমজান মাসে সারাদিন রোজা রেখে রাতে তারাবি আদায় করতে হয়, আবার ভোরে উঠে সেহরির চিন্তা করতে হয়। এসব কারণে শবে কদরকে কেন্দ্র করে শবে বরাতের মতো জমকালো আনুষ্ঠানিকতার ধারা গড়ে ওঠেনি।

শাবান মাস শেষে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের আনন্দ বার্তা নিয়ে শুরু হয় সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ