শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

সাংবাদিকেরা নিষিদ্ধ মোদি-বাইডেন বৈঠকে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

জো বাইডেনের ওয়াশিংটনের বাসভবনে আমেরিকান সাংবাদিকের ‘বিড়ম্বনার’ প্রশ্ন তাকে বেকায়দায় ফেলেছিল ।

ক্ষমতায় আসার পর থেকে নিজের দেশে কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তবে আমেরিকা সফরে যাওয়া মোদিকে হোয়াইট হাউসে ভারতের মানবাধিকার-সংক্রান্ত প্রশ্ন করে গেরুয়া-বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক সাবরিনা সিদ্দিকি।

 শনিবার বাইডেন জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি এসে ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে মোদির সাথে বৈঠকে বসেন।  সেটি ছিল ছিল রুদ্ধদ্বার বৈঠক । সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, আমেরিকা থেকে আসা সাংবাদিকদের ওই সময়টায় বাস থেকে নামতেই দেয়া হয়নি। বৈঠকের পর কিছু ছবি প্রকাশ করা হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে।

হোয়াইট হাউসের বক্তব্য, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বাইডেনের সাথে সফররত সাংবাদিকদের ওই বৈঠকের খবর করার জন্য উপস্থিত থাকার অনুমতি দেয়া হয়নি। প্রেসিডেন্ট ঘরে-বাইরে যেখানেই যান, তার দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের একটি বড় প্রতিনিধিদল তার সফরসঙ্গী হয়। এভাবে কোনো দেশে সেই সাংবাদিকদের নিষিদ্ধ করে রাখার নজির সাম্প্রতিক অতীতে নেই বলেই জানা যাচ্ছে।

অবশ্য, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিতরণ করা সূচিতেই কোথাও এমন কথা লেখা ছিল না যে, মোদি-বাইডেন বৈঠকস্থলে তাদের প্রবেশাধিকার থাকবে। ভারতে আসার পথে প্রেসিডেন্টের এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানেই আমেরিকান সাংবাদিকেরা এ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন তাদের সরকারি কর্মকর্তাদের। তখন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনে ওই বৈঠক হচ্ছে। সে দিক দিয়ে এটাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বলা যায় না। জি২০ সম্মেলনের আয়োজক তিনি (মোদি)। নিজের বাড়িতে তিনি কয়েকজন রাষ্ট্রনেতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তার নিজস্ব কিছু নিয়ম-কানুন তিনি বজায় রেখেছেন।’

সাংবাদিকদের ছাড়পত্র দেয়ার প্রসঙ্গে সালিভান জানান, হোয়াইট হাউসে এমন কোনো বৈঠক হলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জন্য আলাদা সময় রাখা হয়। বাইডেন সকলের সাথে কথা বলেন। এখানেও একাধিকবার ওয়াশিংটনের তরফে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে তা মঞ্জুর হয়নি। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কারিন জঁ-পিয়ের শনিবারের বৈঠক নিয়ে জানিয়েছেন, জি২০ সম্মেলন সেরেই ভিয়েতনামে উড়ে যাচ্ছেন বাইডেন। এককভাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন তিনি। সেখানে খোলামেলাভাবে সব বিষয়ে কথা বলবেন প্রেসিডেন্ট।

বিষয়টি নিয়ে শাসক বিজেপিকে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। দলীয় মুখপাত্র জয়রাম রমেশ টুইটারে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেনের টিম বলছে, বহু অনুরোধ সত্ত্বেও সংবাদমাধ্যমকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পরে প্রশ্ন করার অনুমতি দেয়নি ভারত। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবার ১১ সেপ্টেম্বর ভিয়েতনামে সাংবাদিকদের প্রশ্ন নেবেন। এটাই মোদি-স্টাইলের গণতন্ত্র!’ একেবারেই বিস্ময়কর নয়।

এ আই/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ