শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের কুকরারাই গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে এক মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে সভাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকাল ৫টায় মধ্যেপাড়া রাজিব মিয়ার দোকানের সামনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নূর ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৈলাগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জজ মিয়া মো. মামুন মিয়া, মো. দ্বীন ইসলাম, মো. ইউনুস আলী, এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজের সচেতন নাগরিক এবং বিপুলসংখ্যক যুবক সভায় অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, মাদক আজ আমাদের সমাজের জন্য একটি মারাত্মক অভিশাপ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এটি শুধু ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না, বরং পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎকেও হুমকির মুখে ফেলে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়-

(১) মাদকের বিরুদ্ধে মো. সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি ও মামুন মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে ৩০ সদস্যর একটি মাদক নির্মূল কমিটি নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

(২) মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

(৩) মাদক প্রতিরোধে কিশোর ও যুবসমাজকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সামাজিক কার্যক্রম এবং সাংস্কৃতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

(৪) তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি করতে একটি উন্মুক্ত সামাজিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

(৫) এলাকায় নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা হবে।

সভায় উপস্থিত সবাই একমত পোষণ করেন যে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এই উদ্যোগকে সফল করতে এলাকাবাসী সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ