|| মাওলানা শামসুদ্দীন সাদী ||
দাওয়াতি কাজ মূলত নবীওয়ালা কাজ। এই কাজে বিশ^স্ততা ও সত্যনিষ্ঠা অর্জন জরুরি। ভয়ভীতি ও লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে নিজেকে বিশ^স্ত ও সত্যনিষ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নবীওয়ালা এই কাজে মহানবী সা.-এর তরিকাই আমাদের আদর্শ। দাওয়াতি কাজে নানা ভয়ভীতি জুলুম অত্যাচার লোভ লালসায় নবীজি ছিলেন পাহাড়ের মতো দৃঢ় অবিচল। ভয়-ভীতিতে বিন্দুমাত্র ভীত হননি। জুলুম অত্যাচারে ভেঙে পড়েননি। লোভ লালসায় আটকে যাননি। সবকিছু উপেক্ষা করে ধৈর্যের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন। বিশ^স্ত ও সত্যনিষ্ঠ থেকেছেন।
বিশ^স্ততা সততা একদিনে অর্জনের বিষয় না। এক অবিচ্ছিন্ন সাধনায় এই গুণ অর্জিত হয়। চল্লিশ বছর বয়সে নবীজি নবুয়ত লাভ করেন। নবুয়তপ্রাপ্তির আগেই মক্কার গণ্যমান্য লোকদের থেকে আল আমিন বা বিশ^স্ততা ও সত্যনিষ্ঠার সনদ পেয়েছিলেন। ফলে সাফা মারওয়া পাহাড়ে আরোহণ করে নবীজি যখন প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াতি মিশনে পদাপর্ণ করেন তখন প্রথমে নিজের বিশ^স্ততা ও সত্যনিষ্ঠার সনদের পুনঃস্বীকৃতি আদায় করেন। উপস্থিত সবাই সমস্বরে স্বীকৃতি দেন যে, তুমি আল আমিন, তুমি বিশ^স্ত ও সত্যনিষ্ঠ। তুমি কখনও মিথ্যা বল না। সততা ও বিশ^স্ততার এই যে স্বীকৃতি দায়ীর জন্য এটি অত্যন্ত জরà§