মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আওয়ার ইসলামের মাল্টিমিডিয়ায় মোজো রিপোর্টার নিয়োগ  মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দেশে আনার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ‘জ্বালানি সংকটে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন রপ্তানিকারকরা’ ফতোয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশ্নকারীর মানসিক অবস্থা বিবেচনার আহ্বান কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি

ইসলামী আন্দোলনের নগর সম্মেলন আগামীকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, ইসলামী জনতার চিন্তা চেতনা বিরোধী এবং দেশ ও দেশের ইতিহাস ঐত্যিকে ধুলিস্যাৎ করে প্রণীত শিক্ষা সিলেবাসে ভিনদেশি চিন্তা ও চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। মোগল ইতিহাস, বাংলাদেশ ও ধর্মীয় চেতনা ধ্বংস করা হয়েছে। সিলেবাসের লেখা সুস্থবিবেক সম্পন্ন মানুষ পড়ার অনুপযোগি।

তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষার স্বকিয়তাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি বলেন, জনমতের কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে সিলেবাসে একটি সম্প্রদায়ের সন্নিবেশন করা হয়েছে। কাজেই ইসলামী ও ইসলামী তাহজীব তামাদ্দুন ধ্বংসকারী সিলেবাস এদেশে চলতে পারে না। কতিপয় বেঈমান নাস্তিক-মুরতাদ মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদা ধ্বংসের জন্য

শিক্ষা সিলেবাসে ডারঊইনের মতবাদ চালু এবং ইসলামী শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করেছে। দেশে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার চক্রান্ত রুখে দিতে
হবে। এদেশের কোমলমতি শিশুদের বানরের সন্তান বানানোর ষড়যন্ত্র এবং হিজাব সর্ম্পকে বিদ্বেষ ছড়ানোর পরিণাম শুভ হবে না। আজ বিকেলে দেশের বিভিন্ন জেলার দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময়কালে দলের মহাসচিব এসব কথা বলেন। এ সময় কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মহাসচিব বলেন, ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বিভিন্নভাবে চলছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্ট এ রায়ে জানিয়েছে, যে সব সন্তানদের বাবার পরিচয় নাই তাদের অভিভাবক হিসাবে মায়ের নাম দিলে তা আইনত বৈধ হিসেবে সাব্যস্ত হবে। এটা নারীর ওপর মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক চাপ প্রয়োগের আরেকটি অপকৌশল মাত্র। কারণ সন্তান জন্ম হওয়ার জন্য পুরুষের সংশ্লিষ্টতা অপরিহার্য। কোন সন্তানই পুরুষের সম্পৃক্তা ছাড়া হতে পারে না। তাহলে পিতৃপরিচয়হীন শিশু হয় কি করে? এই রায় পরোক্ষভাবে এটা অনুমোদন করে যে, সন্তান জন্ম দিয়েও পুরুষ তার দায়িত্ব্ব এড়াতে পারে। একই সাথে এই রায় পরোক্ষভাবে এটাও বলছে যে, পুরুষ-নারীর সম্মিলিত ফসল যে বাচ্চা, সেই বাচ্চার দায়িত্ব এককভাবে নারীর ওপর যে চাপানো হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এভাবে দেশে জারজ সন্তান পয়দা করে দেশকে জারজ রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

২৭ জানুয়ারি নগর সম্মেলন সফলের আহ্বান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাà¦