বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

বিশ্বখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আল-কাত্তানি আর নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মরক্কোর বিশ্বখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আবদুর রহমান বিন আবদুল হাই আল-কাত্তানি ইন্তেকাল করেছেন। তাকে সমকালীন বিশ্বের হাদিসের সনদ ও রিওয়াতে উঁচু মর্যাদার অধিকারী মনে করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল  ১০৬ বছর।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ইন্তেকাল করেছেন তিনি। তার ইন্তেকালে গভীর শোক জানিয়েছেন বিশ্বের ইসলামী ব্যক্তিত্বরা।

শায়খ আবদুর রহমান আল-কাত্তানি (রহ.) ১৯১৯ সালে মোতাবেক ১৩৩৮ হিজরিতে মরক্কোর ফেজ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন বিংশ শতাব্দির প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস শায়খ আবদুল হাই বিন আবদুল কাবির আল-কাত্তানি (রহ.)। শায়খ আবদুর রহমান তাঁর বাবার কাছেই সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, মুওয়াত্তাসহ হাদিসের মৌলিক গ্রন্থগুলো পড়েছেন। তাঁর বড় ভাই শায়খ মুহাম্মদ ও খালু শায়খ জাফর ছিলেন সেই সময়ের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস। তিনি মরক্কোর বিখ্যাত কারইয়াউন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বড় বড় আলেম ও শায়খদের কাছে পড়াশোনা করেন।

মালেকি মাজহাবের ফিকাহ ও অন্যান্য বিষয়ে খুবই দক্ষ ছিলেন তিনি। তাঁর সূত্রে তিনি তৎকালীন বিখ্যাত মুহাদ্দিসদের সনদ লাভ করেছেন। তিনি ১৮টি সূত্রে ইমাম বুখারি (রহ.) থেকে সহিহ বুখারি বর্ণনা করেন। শায়খ আবদুর রহমান পুরো জীবন নিজ জন্মভূমিতে হাদিস, ফিকাহ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পড়িয়েছেন।

তৎকালীন বিশ্বের বিখ্যাত মুহাদ্দিসদের কাছ থেকে শায়খ আবদুর রহমান আল-কাত্তানি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি যেসব মুহাদ্দিসদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তারা হলেন, শায়খ আবদুস সাত্তার দেহলভি (রহ.), শুয়ািইব আল-জালিলি (রহ.), আবদুল কাদির আল-শিবলি (রহ.), উমর হামদান আল-মাহরাসি (রহ.), আমাতুল্লাহ আল-দেহলভিয়াহ (রহ.), বদরুদ্দিন আল-হাসানি (রহ.)-সহ আরো অনেকে।

জানা যায়, তাঁর তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন হাদিসের মসজিল (সামআত) অনুষ্ঠিত হত। তিনি এতে সারাবেলা কাটিয়ে মধ্য রাত পর্যন্ত অতিবাহিত করতেন। এসব মজলিসে অসংখ্য বার সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, মুওয়াত্তা, মুসনাদে আহমদ, আস-সুন্নান আল-কুবরা, মুসনাদে দারেমি, আশ-শামায়েল ও আল-শিফাসহ এসংখ্য হাদিসের গ্রন্থ পুরোপুরি পড়া করা হয়।

সৌদির আল-কোরআন ফাউন্ডেশনের প্রধান শায়খ ড. আবদুল্লাহ আল-উবাইদ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘শায়খ আবদুর রহমান মহিউদ্দিন ছিলেন সমকালীন বিশ্বের বরেণ্য আলেম। মহান আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্à¦