বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

হজ-ওমরা ও যে কোনো সফরের সময় নামাজের বিধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ড. মুফতি হুমায়ুন কবির।।
সহযোগী অধ্যাপক, আরবি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সফর মানুষের কষ্টের বিষয়। তাই কেউ সফরে গেলে তাকে দ্রুত ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। নবী সা. সফরের কষ্টের কারণে সফরে ইবাদতকে হালকা করেছেন। চার রাকাত ফরজকে দুরাকাত আদায় করার অনুমোদন দিয়েছেন। তেমনি সুন্নাতকে নফলে পরিণত করেছেন। আর ফরজ রোজাকে পরে কাযা করার শর্তে ঐচ্ছিক করেছেন। নিম্নে সকল ধরনের সফরে নামাজের বিধান বর্ণনা তুলে ধরা হলো:
১. সফরে সাধারণত চার রাকাত ফরযকে দুই রাকাত পড়তে হবে। তবে কোনো মুকীমের ইকতিদা করলে, তখন চার রাকাত পড়বে। আর ওয়াজিব ঠিকই আদায় করবে। সুন্নাত ফ্রি থাকলে বা মন ভালো থাকলে পড়বে, তাড়াহুড়া থাকলে বা পেরেশানীতে থাকলে ছেড়ে দিবে। তবে ফজরের সুন্নাতকে একটু গুরুত্ব দেবে।

২. মুসাফির হওয়ার জন্য স্থলভাগে ৪৮ মাইল তথা ৭৭ কিলোমিটার অতিক্রম করতে হবে।
৩. মুসাফির নিজের শহরের আবাদীর বাইরে গেলেই সফরের নামাজ পড়তে পারবে।

৪. কোনো মুসাফির যদি দুই রাকাত কসর না করে চার রাকাত নিজে নিজে পড়ে নেয়, তখন তাকে সিজদা সাহু করতে হবে। নতুবা আবার আদায় করতে হবে।

৫. যদি কেউ সফরে কোনো এলাকায় পনের দিন থাকার নিয়ত করে, তখন সে মুকীম হয়ে যাবে। তবে তা একটি স্থানে নিয়ত করতে হবে।
৬. মুসাফির হওয়ার জন্য দুটি শর্ত। এক. কমপক্ষে ৭৭ কিলোমিটার সফর করার জন্য নিয়ত করতে হবে। দুই. নিজ এলাকা ত্যাগ করতে হবে।

৭. সফরে নফল ও সুন্নাত গাড়িতে চলন্ত অবস্থায়ও পড়া যায়, তবে ফরয ও বিতর গাড়ি থেকে নেমে পড়তে হবে। বিমানে সব নামাজ পড়া যাবে। তখন কিবলা বিপরীত হলেও সমস্যা নেই; যদি প্রথমে কেবলামুখী হয়ে শুরু করে। তবে পানি না পেলে সেখানে তায়াম্মুম করে পড়বে। যদি তায়াম্মুমও করতে না পারে, তখন নামাজ মওকূফ রাখবে, পরে নামলে পড়ে নেবে। ইচ্ছে হলে নামাজীর সাদৃশ্য গ্রহণ করতে পারবে।
৮. সফরে জুমা, ঈদ, কুরবানী ওয়াজিব হয় না।

৯. হানাফী মাযহাব মতে কাযা নামাজে মুসাফির মুকীমের ইকতিদা করতে পারবে না।
১০. সফরের কাযা নামাজ ইকামত অবস্থায় আদায় করলে দুই রাকাত পড়তে হবে। আর ইকামতের কাযা সফরে করলে চার রাকাত আদায় করতে হবে। অর্থাৎ, নামাজ যেটা যেভাবে কাযা হয়েছে সেভাবেই আদায় করতে হবে।

১১. মক্কাতে হাজী যাওয়ার পরে যদি পনের দিন মিনায় যাওয়ার পূর্বে অবস্থান করে, তখন সে মুকীম হবে। তাই সে মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতেও মুকীম হিসেবে থাকবে। অতঃপর মক্কায় আসলà