আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ন্যুনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ও কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১২ লাখ টাকা নির্ধারণসহ সাত দফা দাবিতে সারা দেশে লাগাতর ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন নৌযান শ্রমিকেরা। আগামী ২৮ নভেম্বর (২৭ নভেম্বর দিবাগত) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সারাদেশে টানা ধর্মঘট করবে তারা।
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘সাধারণ নৌ-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত বিভিন্ন নৌযান শ্রমিক সংগঠনের নেতারা কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পণ্যবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান এই ধর্মঘটের আওতায় থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ সিকদার বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার বিধান থাকলেও সর্বশেষ মজুরি কাঠামোর মেয়াদ গত বছরের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। কিন্তু নৌযান মালিকদের সংগঠনগুলো বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এছাড়া এই ১৬ মাসে নৌ মন্ত্রণালয় ও শ্রম অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বহুবার দেন-দরবার করেও ফল পাওয়া যায়নি।
এক প্রশ্নের জবাবে সবুজ সিকদার বলেন, গত সাত বছরে (৬ বছর ৪ মাস) কয়েক দফা দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। মজুরি-ভাতা বৃদ্ধি না হওয়ায় নৌযান শ্রমিকেরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এখন তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই সাধারণ শ্রমিকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছে। তবে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম অধিদপ্তর মজুরি বৃদ্ধির গেজেট প্রকাশ করলে লাগাতর নৌ-শ্রমিক ধর্মঘটের কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান নৌ-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মনিরুল ইসলাম মাস্টার। সংগঠনের আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন ড্রাইভারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বেপারী, বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার, নৌ-শ্রমিক নেতা আনিসুর রহমান ও এনায়েত হোসেন লিটন।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত সাত দফা দাবিতে বলা হয়, ন্যুনতম মজুরি