শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

শাপলা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু ৩ ভাই-বোন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে বিলের মধ্যে শাপলা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ধামারন গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো রবিউল, সানজিদা ও রামিম। তাদের বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে সানজিদা ও রামিম সম্পর্কে খালাতো ভাই-বোন‌। আর রবিউল তাদের মামাতো ভাই। রবিউল ধামারন গ্রামের মমিন আলীর ছেলে। সানজিদা ও রামিম তাদের মামা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

জানা গেছে, সানজিদা টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামের সাইফুল মোল্লার মেয়ে এবং রামিম একই গ্রামের কামালের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার ধামারন গ্রামে মামা মমিন আলী বেপারীর বাড়িতে বেড়াতে আসে সানজিদা ও রামিম।

তিনি বলেন, আজ দুপুর ১টার দিকে রবিউল, সানজিদা ও রামিমসহ ৪ শিশু বাড়ির পাশের বিলে শাপলা তুলতে যায়। দুপুর দেড়টার দিকে বজ্রপাতে তারা আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সখোনে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল, সানজিদা ও রামিমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর শিশু বেঁচে আছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তিন শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমার এলাকায় বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের লাশ সদর হাসপাতালে রয়েছে।’

-এসআর