রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৯ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
একাধিক এলএনজি-এলপিজি জাহাজ আসছে চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় রিয়াদ এয়ার কুরআনের ওপর পা রেখে অবমাননা, দুই নারী গ্রেফতার জনপ্রিয় ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল আর নেই ‘জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর’ সপ্রাণ ভাষা আরবি: শেখার কিছু জীবন্ত কৌশল এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, বহিঃশক্তি যাদের সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ‍দিলো ইরান রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে হামের টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ইরানে এখনও ইসরায়েলি অভিযান শেষ হয়নি: ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু

উইঘুর মুস*লিমদের সাথে মানবতা*বিরোধী অপরাধ করেছে চীন: জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জিনজিয়াংয়ের উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর চীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা।

জাতিসংঘের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিবেদনটি বুধবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়েছে। চীন জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে পশ্চিমা শক্তি দ্বারা সাজানো একটি প্রহসন বলে অভিহিত করেছে।

৪৫ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন চীনকে অবিলম্বে বৈষম্যমূলক সমস্ত আইন বাতিল করতে বলা হয়েছে। বেইজিংকে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত সকল ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

উইঘুররা মূলত মুসলিম তুর্কি সম্প্রদায়। যারা চীনের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী থেকে ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতিতে ভিন্ন। চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মত স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার ওপর এখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে যে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ব্যাপক হারে আটকের শিকার হচ্ছে।

জাতিসংঘের তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা জিনজিয়াংয়ে উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেয়েছেন। যা মানবতাবিরোধী অপরাধ। চীন সংখ্যালঘুদের অধিকারকে দমন করার জন্য তাদের আটক করে রেখেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন উইঘুর বন্দীদের ওপর যৌন নির্যাতন করে থাকে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোরপূর্বক চিকিৎসা ও জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য বল প্রয়োগ করা হয়।

জাতিসংঘ সুপারিশ করেছে, চীন যেন অবিলম্বে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত সকলকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

যদিও জাতিসংঘ বলেছে, চীন সরকার জিনজিয়াংয়ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্দী শিবিরে কতজনকে আটক করেছে তা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে তাদের ধারণা ১০ লাখের বেশি মানুষকে আটক করে রাখা হয়েছে।

জিনজিয়াংয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বেশি উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের বসবাস। এর আগে, বেশ কয়েকটি দেশও জিনজিয়াংয়ে চীনের পদক্ষেপকে গণহত্যা বলে বর্ণনা করেছে। তবে বেইজিং-তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বার বার অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ