শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি তাকী উসমানীর সান্নিধ্যে এক স্মরণীয় সন্ধ্যা সিয়ানাহ ট্রাস্টের সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন ২০৩২ সালের মধ্যে ৬৪ জেলায় মারকাযুল ফুরকানের কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলেন মাওলানা আহমেদ মাসরুর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের শোক মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘মুহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ব্যঙ্গ নিয়মিত নামাজ আদায়ের শীর্ষে আফগানিস্তান, দৈনিক নামাজ পড়েন ৯৬ শতাংশ লালন দর্শন ও ইসলামের আকিদা: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে কয়েকটি মৌলিক মতপার্থক্য

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দৃঢ় অবস্থানে: ইকোনমিক টাইমস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: গার্মেন্টস শিল্প ও বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হওয়ায় অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক নিবন্ধে এ কথা বলা হয়েছে।

যখন সংকট আর গুজবে অস্থির ডলারের বাজার, তখন দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি ডলার; যা দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমনকি গত জুনের চেয়েও প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

দ্য ইকোনমিক টাইমসের (ইটি) কূটনৈতিক সম্পাদক দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী সোমবার (১ আগস্ট) তার পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে লিখেছেন, ‘অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব ছাড়াও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু, শেখ হাসিনার সরকার অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে বদ্ধপরিকর।’

মহামারির প্রাথমিক পর্যায়ে বলা হয়েছিল, অনেকে এটি ধরে নিয়েছিল, অনেক প্রবাসী চাকরি হারানোয় রেমিটেন্স কমে যাবে। তবে, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সফলতার কারণে অনেক বাংলাদেশি বিদেশে তাদের নিজ কর্মস্থলে ফিরে গেছে এবং তারা মহামারির আগের হারে টাকা পাঠাচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক (ডব্লিউবি) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২২ সালের বসন্তকালীন বৈঠকে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা ও এর প্রভাব থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সফলভাবে নীতি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। ভিশন ২০৪১ নামে বাংলাদেশ নিজেই একটি রোডম্যাপ দিয়েছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে চরম দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো ও ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত জাতিতে পরিণত হওয়া।

দেশ বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি করছে-উল্লেখ করে নিবন্ধে বলা হয়, কৃষি থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস এবং জাহাজ নির্মাণ থেকে গার্মেন্টস, দেশের শিল্প ভিত্তি বহুমুখী হচ্ছে এবং এর রফতানি বাড়ছে।

বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, কিন্তু অর্থনীতিকে একই সমান গতিতে সচল রাখতে কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছে।

সরকারি করà§