বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার

‘শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইসলাম উঠিয়ে দেয়ার পরিণাম ভালো হবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেছেন, পরিবারের পরেই নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করার অন্যতম উৎস ও মাধ্যম হল ধর্মীয় শিক্ষা। ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে শিক্ষা সিলেবাস থেকে রাসূল সা. ও সাহাবায়ে কেরাম রা.-দের জীবনীসহ ইসলাম শিক্ষার নানান বিষয় বাদ দেয়া হয়েছে।

‘অপরদিকে হিন্দুত্ববাদের নানান বিষয় পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা দেশের জনগণের অন্তরে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামী বিদ্বেষ কখনোই মেনে নিবে না।’

শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আমেলার মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, নতুন শিক্ষা সিলেবাস দেশকে ধর্মীয় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিবে। শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইসলাম বাদ দেয়া হয়েছে অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিসহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চুপ মেরে থাকা জনমনে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করেছে। অবিলম্বে এমন পাঠ্যপুস্তক বাতিল করে ইসলামী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ