শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য অটুট ছিল’ মোদির নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ ওয়াইসির পাতলী খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিলো মাদরাসা ছাত্র আফফানের প্রাণ সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকাল ইউক্রেনের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পুতিনের স্বীকারোক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত, তাহাফফুজে দ্বীন পরিষদের দুই শীর্ষ নেতার নিন্দা কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আদ-দ্বীন থেকে রেফার রোগীদের চিকিৎসায় ৬ সরকারি হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ

আজ থেকে দোকান বিপণিবিতান ও মার্কেট বন্ধ রাত ৮টার পর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সারা দেশে দোকানপাট, বিপণিবিতান, মার্কেট বন্ধ থাকবে রাত ৮টার পর। আজ থেকে সরকারি এই নির্দেশনা কার্যকর হচ্ছে। চলবে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।

রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার বিষয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে রাত ৮টার পর সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা সারা দেশের উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা কুরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন। এই প্রস্তাব সারসংক্ষেপ আকারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

তবে দোকানে, বিপনি-বিতানে ক্রেতা থাকলে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত ক্রেতাদের কেনাকাটার সুযোগ দেওয়া যাবে। এ সময়ের পর কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, রেস্তোরাঁ, সিনেমা বা থিয়েটার খোলা রাখা যাবে।

এর আগে ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকের সই করা চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১১৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন করে সারা দেশে রাত ৮টার পর দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণিবিতান, কাঁচাবাজার প্রভৃতি খোলা না রাখার বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

শ্রম আইন অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর খোলা রাখা যাবে সেগুলো হচ্ছে- ডক, জেটি, স্টেশন অথবা বিমানবন্দর এবং পরিবহণ সার্ভিস টার্মিনাল অফিস; তরিতরকারি, মাংস, মাছ, দুগ্ধজাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান; ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান; দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান; তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান; খুচরা, পেট্রোল বিক্রির জন্য পেট্রোল পাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটর গাড়ির সার্ভিস স্টেশন; নাপিত এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান; যে কোনো ময়লা নিষ্কাশন অথবা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা; যে কোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো-অথবা পানি সরবরাহ করে এবং ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ