রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আস-সুন্নাহ দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শ্রেষ্ঠ স্বামী হিসেবে তিনি আমার কাছে অমর হয়ে থাকবেন সিলেটে এক সপ্তাহ ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র আফজালের ‘লক্ষাধিক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত’ ‘৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে জট কাটাতে কাজ চলছে’ অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা করল ইরান ঋণনির্ভর উচ্চবিলাষী বাজেট সংকট আরও বাড়াবে: মুনতাসির আলী প্রযুক্তিনির্ভর ও জনকল্যাণমূলক বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

ফিলিপাইনে ‘ভাড়াটে খু*নি’ দিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে হ*ত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় বাংলাদেশি গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনকে (৬৩) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ম্যানিলা বুলেটিন এক খবরে জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন ’ভাড়াটে খুনিকে’ গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪০ মিনিটে অফিসে যাওয়ার পথে মেট্রো ম্যানিলা টাফট অ্যাভিনিউতে আনোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন ফিলিপিন্স কর্পোরেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি পাসায় সিটির টাফট এলাকায় ডিএমডি বুটিকের মালিক। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার কাইচাইল গ্রামে।

নিহতের বড় ভাই নাসির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফিলিপাইনে আনোয়ার হোসেনের সহকর্মী ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন ফিলিপাইন সূত্রে তারা এ খবর পেয়েছেন।

সিটি পুলিশের বরাতে ম্যানিলা বুলেটিন জানিয়েছে, আনোয়ারের মাথায় একটি গুলি লেগেছিল। অ্যাডভেনটিস্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার পাসায় সিটির ডন কার্লোস এলাকার বাসিন্দা সালিক দিতুয়ালকে আটক করে পুলিশ।

সিটি পুলিশের জানিয়েছে, আনোয়ারকে খুনের জন্য চুক্তিতে এক লাখ ফিলিপিনো পেসো নিয়েছেন স্থানীয় হকার দিতুয়াল। রাজভ নামে এক ব্যক্তি তাকে ভাড়া করেন।

রাজভের বিস্তারিত পরিচয় জানার পাশাপাশি হত্যার কারণ উদঘাটনে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছে পাসায় সিটি পুলিশ।

নাসির হোসেন বলেন, 'আমার ভাই সেখানে বাংলাদেশি গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করায় সেখানকার অন্যান্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা অবৈধ কাজ করতে পারছিল না। এতে তাদের সঙ্গে ভাইয়ের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।'

ফিলিপাইনে বসবাসরত বাঙালিরা এ ঘটনায় জড়িত, দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ফিলিপাইনে গার্মেন্টস ব্যবসা চালু করেন আমার ভাই। ১৯৮৮ সালে আনোয়ার জাপান ভ্রমণ করেন এবং পরে সেখান থেকে ফিলিপাইন যান। আমাদের পরিবারের সব আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশি গার্মেন্টস ব্যবসায় জড়িত।

ফিলিপাইনের পাসপোর্টধারী আনোয়ারের স্ত্রীও ফিলিপিন্সে থাকতেন। তবে এখন তিনি দেশে আছেন। সোমবার ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। তার পরে আনোয়ারের মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন তার ভাই।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ