সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

সরকার সব সময় ভুল পথে হাঁটে: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সরকার সব সময় ভুল পথে হাঁটে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এতদূর পর্যন্ত গড়াত না যদি শিক্ষামন্ত্রী সঠিক সময়ে সঠিক ভূমিকা পালন করতেন।

আন্দোলন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই শিক্ষামন্ত্রীকে এখানে আসা উচিত ছিল। সরকার ওই সময় অন্ধ হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীদের যারা সহায়তা করেছে তাদের গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি। আমার টাকা আমি সাহায্য করতেই পারি। কিন্তু আমাকে কী এখন ধরে নিয়ে যাবে?’

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ক্যাম্প ও অপারেশন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ডাকা ঠিক হয়নি। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা ভূমিকা পালন করতে পারতেন কিন্তু প্রথমে কেউ এগিয়ে আসেননি। ছাত্রছাত্রীদের যে সমস্যা ছিল তা সমাধান করা উচিত ছিল। অধ্যাপক জাফর ইকবাল যে ভূমিকা নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

‘একজন ভিসির জন্য সরকার অন্ধ হয়ে গিয়ে জণগণের চিন্তা করে না। মানুষের অনুভূতি বুঝতে চায় না। এই সকল ব্যাপারে সরকার ভুল করাতে ঝামেলার সৃষ্টি হয়,’ বলেন তিনি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ক্যাম্প ও অপারেশনের ব্যাপারে ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘একটা ইউনিয়নে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করেন। প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে কিন্তু ডাক্তার নেই। আমরা গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে মানুষকে নামমাত্র মূল্যে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে কাজ করছি।’

এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, পাগলা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক আব্দুল আউয়াল, জগন্নাথপুর উপজেলার সমাজসেবক হাজী সোয়েল আহমেদ খান টুনু, চিকিৎসা টিমের নেতা গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: এ কে এম হালিমুর রেজা মিলন ও পাগলা বাজার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি জগন্নাথপুর উপজেলার জগদীশপুর মোহাম্মদগঞ্জ বাজারে সফাত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চিকিৎসকরা পাঁচ শতাধিক রোগী দেখেন এবং ২৬ জানুয়ারি শান্তিগঞ্জ উপজেলার নোয়াখালী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে দেখেন ছয় শতাধিক রোগী।

২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বিভিন্ন স্থানে পরামর্শ ও অপারেশন করবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ